ঢাকায় অনুষ্ঠিত ১৩৬তম সম্মেলনে নিঃসরণ হওয়া কার্বনের ক্ষতিপূরণ দেবে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ)। গ্রিন অ্যাসেম্বলির অংশ হিসেবে গ্রামীণ অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব চুলা তৈরি করে দেওয়া হবে। ‘গ্রিন সম্মেলনের’ অংশ হিসেবে বুধবার (৫ এপ্রিল) সম্মেলনের শেষ সময় আন্তর্জাতিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবের তথ্য উল্লেখ করে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আইপিইউ সম্মেলনে অংশ নিতে আসা ডেলিগেটদের বহন করা বিমানের জ্বালানি ব্যবহারের কারণে তিন হাজার ৪শ টন কার্বন নিঃসরিত হয়েছে। এছাড়া, ঢাকায় ডেলিগেটদের চলাফেরা ও থাকা-খাওয়াসহ অন্যান্য প্রয়োজনে আরও কী পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে, তার হিসাব দুই সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যাবে। মোট নিঃসরিত কার্বনের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে পরিবেশবান্ধব চুলা সরবরাহ করা হবে।’
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই সংসদীয় ফোরাম এবারই প্রথমবারের মতো গ্রিন অ্যাসেম্বলির আয়োজন করে। সম্মেলনের আগে আইপিইউ প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী এ কথা জানিয়েছিলেন।
সম্মেলন শেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের গ্রামাঞ্চলে বেশিরভাগ মানুষ সাধারণ চুলাতে রান্না করে। এর জন্য গাছ, কাঠ-কয়লা, পাটখড়ি বা অন্য জ্বালানি পোড়ানো হয়। এই সম্মেলনে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে আমরা পরিবেশবান্ধব স্টোভ সরবরাহ করব। এর ফলে চুলা ব্যবহারের তুলনায় যে পরিমাণ কার্বন কম নিঃসরণ হবে, সেটা সম্মেলনের নিঃসরিত কার্বনের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্বন ফুটপ্রিন্ট হিসাব করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল জানিয়ে আইপিইউ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সম্মেলনে বাকি আয়োজনে কী পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে, তার হিসাব করতে আরও দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর আমরা হিসাব করব, কী পরিমাণ চুলা সরবরাহ করা হবে।’
এবারের আইপিইউ সম্মেলনে কাগজের ব্যবহার কমাতে ‘আইপিইউ১৩৬’ নামে একটি অ্যাপও তৈরি করা হয়।
/ইএইচএস/টিআর/








