যে স্বপ্ন ভারতের জন্য দেখেন, সেই শুভকামনা তার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জন্যও বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বন্ধু হওয়ার কারণে যতটা সহযোগিতা করতে পারে ভারত, সেটা তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রের জন্য করা হবে।
শনিবার নয়াদিল্লির মানেকশ সেন্টারে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ভারতীয় বীরযোদ্ধাদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় শহীদদের স্বজনদের হাতে এ অনুষ্ঠানে সম্মাননা তুলে দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বক্তৃতায় মোদি বলেন, ‘ভারত- বাংলাদেশ সম্পর্ক এজন্য একসঙ্গে এগিয়ে যায়, কারণ প্রায় ১৪০ কোটি মানুষ একজন আরেকজনের পাশে আছে।’
এর আগে শনিবার একঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠকের পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ২২টি চুক্তি সমঝোতা সই করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিচারবিভাগ সংক্রান্ত, পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, লাইন অব ক্রেডিট, উপকূলীয় অঞ্চলে নৌ চলাচল সংক্রান্ত চারটি সমঝোতা স্মারক বিনিময় হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।এছাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীর হিন্দি সংস্করণ উন্মোচন করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।
/ইউআই/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন-
তিস্তা নিয়ে আশ্বাস, অঙ্গীকার নেই
পাঁচ বছরের জন্য ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে ভিসা দেবে
হাসিনা- মোদি বৈঠকে ৩৬ চুক্তি সই
তিস্তা নিয়ে আশ্বাস, অঙ্গীকার নেই
তিস্তাচুক্তি: মোদির মুখের কথায় সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশকে
শেখ হাসিনার সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ
‘ভারতের প্রতিরক্ষা চুক্তি আছে চীনের সঙ্গেও!’
মোদির বক্তৃতায় ইঙ্গিত: তিস্তা চুক্তি ২০১৮ সালেই?
মোদি-হাসিনা বৈঠকে ২২ চুক্তি সই
মোদি-হাসিনা বৈঠক: ২২ চুক্তি ও ৪ সমঝোতা স্মারক সই
বাংলায় নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি








