জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে নতুন করে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গাদের সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মিয়ানমার সংলগ্ন সীমান্তে চারদিন আটকে থাকার পর তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের বরাত দিয়ে ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র আসলাম খান শুক্রবার জেনেভায় এক প্রেস ব্রিফিংএ জানান, কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী আঞ্জুমান পাড়া গ্রামের মধ্য দিয়ে ছয় হাজার ৮০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে। নতুন আসা এসব রোহিঙ্গাদের মধ্যে যাদের অবস্থা খারাপ তাদের কুতুপালং শিবিরের কাছের একটি ট্রানজিট কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। কেন্দ্রটিতে ইউএনএইচসিআর ও এর অংশীদাররা খাবার, পানি, চিকিৎসা সেবা ও অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে।
তিনি বলেন, ‘ইউএনএইচসিআর ও এর অংশীদাররা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কুতুপালংয়ের আশ্রয় শিবির সম্প্রসারণে কাজ অব্যাহত রাখবে। আরও অধিকসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য অবকাঠামো নির্মাণ পরিকল্পনা ও অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে। এছাড়া নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের জন্য গভীর নলকূপ ও শৌচাগার নির্মাণ করা হচ্ছে।’
এ পর্যন্ত দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬০০ ছয় জনের বেশি রোহিঙ্গা কুতুপালং আশ্রয় শিবিরে অবস্থান করছে। আরও রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য শিবিরটির সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আশা করছি জেনেভায় ২৩ অক্টোবর রোহিঙ্গা সংকটের ওপর অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে সময় মতো ও যথেষ্ট পরিমাণ সহায়তা পাওয়া যাবে। রোহিঙ্গাদের জন্য যৌথভাবে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে ৪৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার প্রয়োজন। এই অর্থ দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য জীবনরক্ষাকারী প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও সরঞ্জামাদি ক্রয় করা হবে।’ খবর বাসস।
আরও পড়ুন:
রান্নার লাকড়ির জন্য গাছের শেকড়ও কেটে ফেলছে রোহিঙ্গারা








