বাংলাদেশে আসা রোবট সোফিয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কথোপকথন হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যখন সোফিয়াকে উদ্দেশ করে বলেন—হাউ আর ইউ সোফিয়া। সোফিয়া চটপট ইংরেজিতে বলে— আমি ভালো আছি, আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমার খুব আনন্দ হচ্ছে।
তুমি আমাকে কিভাবে চেনো? প্রধানমন্ত্রীর এই প্রশ্নের উত্তরে সোফিয়া বলে— আমি আপনার বিষয়ে অনেক পড়াশোনা করেছি। আমি আরও জানি, আপনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। আপনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ নামেও ডাকা হয় এবং আপনার নাতিনের নামেই আমার নাম ‘সোফিয়া।’
প্রধানমন্ত্রী তখন বলেন, ‘আপনারা জানেন, জয়ের (সজীব ওয়াজেদ জয়) মেয়ের নামও কিন্তু সোফিয়া।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তুমিতো দেখছি আমার সম্পর্কে এবং আমার লক্ষ্য সম্পর্কে অনেক কিছুই জানো। তাহলে ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে তুমি আর কি জানো?
সোফিয়া বলে— আমি আপনার ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম লক্ষ্যই হচ্ছে মানবসম্পদের উন্নয়ন। যার শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালে অর্থনীতির সব সেক্টরকে ডিজিটাইজড পদ্ধতির আওতায় আনার পদক্ষেপের মধ্যদিয়ে। আইসিটি সেক্টরকে সামনে নিয়ে এসে দেশে ২০২১ সালের মধ্যে এ খাতের আয় ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের উদ্যোগের মাধ্যমে। ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার প্রচেষ্টা ইতোমধ্যেই পরিলক্ষিত হয়েছে। স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই সরকারের সব দফতর ও বিভাগকে ডিজিটাইজড ব্যবস্থার আওতায় আনারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি, দেশজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে ২৮টি হাইটেক ও সফ্টওয়্যার টেকনোলজি পার্ক।
এ সময় সোফিয়া ডিজিটাল মেলা ২০১৭ উদ্বোধনের জন্যও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান এবং প্রধানমন্ত্রী ট্যাবের বোতাম চেপে মেলার উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দেশের আইসিটি সেক্টরের মেগা ইভেন্ট চার দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল ফেয়ার-২০১৭’-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেশ অনুসন্ধিৎসা মন নিয়ে এই রোবটের সঙ্গে ভাব-বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রোবট সোফিয়ার কথোপকথন অনুষ্ঠানে আগত দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট অতিথিদেরকে অনাবিল আনন্দ দেয়। বাসস







