সড়ক দুর্ঘটনাকে ঢাকা শহরের বার্নিং ইস্যু বলে করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেছেন, ‘আইন না মানার সংস্কৃতিই সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।’ শনিবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) মিলনায়তনে ‘সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের সতর্কতা’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই ছায়া সংসদ বিতর্কের আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন হলো। এরপর আমরা ১০ দিনব্যাপী ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করেছি। গত সেপ্টেম্বর জুড়ে রাজধানীতে ট্রাফিক সচেতনতা মাস পালন করেছি।’ দুর্ঘটনা প্রতিরোধে নিজে আইন মানা এবং অন্যকে আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করার অনুরোধ জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকদের ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু একমাত্র চালকদের সচেতনতায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব নয়। এর সঙ্গে যাত্রী-পথচারীদের সচেতনতা এবং ভৌত কাঠামো একটি বড় বিষয়। তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনির যে স্থানে দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন সে স্থানটি ছিল দেশের অন্যতম দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা। কারণ সড়কের ওই স্থানটিতে বাঁক থাকার কারণে অপর পাশের যানবাহন দেখা যেতো না।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের হাইওয়েকে সাধারণত আঞ্চলিক সড়ক বলা যায়। কারণ একই সড়কে দূরপাল্লার যানবাহন যেমন চলে সেই সড়কেই নসিমন, করিমন, ভটভটি লক্কর-ঝক্কর যান চলাচল করে। একই সড়কে ৮০ কিলোমিটার গতির যানবাহন চলে আবার ৫ কিলোমিটার গতিরও যানবাহন চলে। এটিও মহাসড়কে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। কিন্তু ওভারটেকিংয়ের কারণে যে দুর্ঘটনা ঘটে সেখানে চালকের অসচেতনতা, নির্বুদ্ধিতা ও অদক্ষতাই দায়ী।’
দুই দলের যুক্তি উত্থাপন শেষে বিচারকরা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিকে বিজয়ী ঘোষণা করে।








