নৌ-পরিবহনমন্ত্রী এবং সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক শাজাহান খান বলেছেন, স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রার্থীকে ভোট দিন। তিনি বলেন, ‘রাজাকারমুক্ত সংসদ চাই।’ তরুণদের প্রথম ভোট স্বাধীনতার পক্ষের প্রার্থীদের দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর)সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউ’র স্বাধীনতা হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব অপশক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
শাজাহান খান বলেন, ‘দেশবাসীকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করা এবং যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী ‘বিজয় মঞ্চ’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিজয় মঞ্চে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সচেতনতার পাশাপাশি জামাত-রাজাকার-আলবদর- যুদ্ধাপরাধী, পেট্রোল বোমায় মানুষ হত্যাকারী ও তাদের সমর্থকদের ভোট না দেয়ারও আহ্বান জানানো হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের সন্তান ও প্রজন্ম সংগঠনগুলো ১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস উপলক্ষে বিকাল তিন টায় ঢাকার শাহবাগ চত্বরে সমাবেশ করবে। সমাবেশ শেষে মিছিল সহকারে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তনে শপথ গ্রহণ করবে। ১৪ ডিসেম্বর সকাল আটটায় রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে। এছাড়া, ১৫ ডিসেম্বর বিকাল তিনটায় শাহবাগ চত্বরে সমাবেশ এবং সমাবেশ শেষে র্যালি নিয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করবে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল মোর্শেদ খান, কবির আহমেদ খান, এমদাদ হোসেন মতিন, আলাউদ্দিন মিয়া, এবিএম সুলতান আহমেদ, কালী নারায়ণ লোধ, রোকেয়া প্রাচী, বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হোসেন ও গার্মেন্টস শ্রমিক নেত্রী লাভলী ইয়াসমিন।








