জনপ্রশাসন মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শুরু হয়। জানাজা শেষে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
জানাজায় রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ১৪ দলের নেতারাসহ বিপুল পরিমাণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, আওয়ামী লীগ, ১৪ দল, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সংসদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। জানাজার পরই সৈয়দ আশরাফের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা জানানোর পরই আসেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দীর্ঘদিনের এই দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারিকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী লাশের পাশে কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত রাজনৈতিক সহকর্মীর মৃত্যুতে তাকে শোকার্ত দেখা যায়।
জানাজার আগে সৈয়দ আশরাফের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত পাঠ করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন তার ভাই সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম। পরে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। জানাজায় মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে তারা সবাই সৈয়দ আশরাফের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব) ফারুক খান, ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্য ও এমপিরা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জানাজার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘর থেকে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে সংসদ ভবন চত্বরে আনা হয়।
জানাজা শেষে তার লাশ কিশোরগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে ময়মনসিংহে তৃতীয় জানাজা হবে। এরপর ঢাকায় বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।








