গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেছেন, ‘গতকাল (সোমবার) রাতেও আমাদের সংগঠনের দফতর সম্পাদককে সাদা পোশাকে ধরে নিয়ে গেছে। এখনপর্যন্ত আমাদের সংগঠনের ১৫ জনকে ধরে নিয়ে গেছে। তাদের কোথায় নিয়ে গেছে –এটা আমরা জানতাম না। পরে গতকাল চার জনের খোঁজ পেয়েছি। এর মধ্যে তিন জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে, আর একজন বিমানবন্দর থানায় আছে। একটা ভয়াবহ দমন-পীড়নের চিত্র গার্মেন্টস এলাকাগুলোতে দেখা গেছে। তবে দমন-পীড়ন-নির্যাতনে কোনও শিল্পে কারও স্বার্থ রক্ষা হয় না, ইতিবাচক কিছুও করা যায় না।’
মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর পান্থপথে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিওতে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন এই নিউজ পোর্টালের সাপ্তাহিক আয়োজন ‘মজুরি বাড়লেও বাড়ছে না শ্রমিকদের আস্থা’ শীর্ষক বৈঠকিতে অংশ নিয়ে তিনি একথা জানান।
জলি তালুকদার বলেন, ‘আমি অনুরোধ করবো, যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। আর শ্রমিকরা অগ্নি সংযোগ করে না। একটি অতি উৎসাহী গ্রুপ থাকে এর মধ্যে, যারা এ কাজ করে। ভালো মালিক যারা, তারা দায়িত্ব নিয়ে বলেন –আমার কারখানার শ্রমিক আগুন দেয়নি, ভাঙচুর করেনি। তারা শ্রমিকদের প্রতি দায়িত্বশীলতা থেকে কথাটা বলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদেরও অভিযোগ আছে, ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রম করতে দেওয়া হয় না। আমরা যেখানে নিয়মতান্ত্রিক এবং গঠনমূলক ট্রেড ইউনিয়ন করি, সেখানে আমরা কিন্তু রেজিস্ট্রেশন পাই না। সর্বশেষ যে ফেডারেশনের রেজিস্ট্রেশন পেয়েছি, সেটা ৮ বছর মামলা করার পর পেয়েছি। পরে যখন আমরা কারখানা ধরে ৩০-৪০টি সংগঠনের আবেদন করেছি, সবগুলোর আবেদন প্রত্যাখান করা হয়েছে।’







