রাজনীতিতে আচরণগত পরিবর্তন দরকার বলে মনে করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘‘লাগামহীন বক্তব্য এবং ‘শব্দবোমা’ রাজনৈতিক বিদ্বেষ সৃষ্টি করে, যা পারস্পরিক সম্পর্ককে দূরে ঠেলে দেয়। গরম কথা, বক্তব্য নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। এগুলো সহনীয় পর্যায়ে থাকলে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য বাড়বে।’
সোমবার (৩ জুন) সচিবালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ করি বলে বিএনপির কোনও নেতার জানাজায় যেতে পারবো না, এটি ঠিক নয়। যদিও এই কালচার অনেকটা ঘুচে এসেছে। আমি অসুস্থ হওয়ার পর বিএনপির অনেক নেতা আমাকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন।’
বিএনপি নেতারা চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়েছেন ঈদের আগেই। এ ব্যাপারের ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে বন্দি করেছেন আদালত। মুক্তি দেওয়ার বিষয়টিও আদালতের। এক্ষেত্রে সরকারের কিছুই করার নেই।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। উনি এখন বন্দি। উনার মুক্তির বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া তাদের রাজনৈতিক অধিকার। কিন্তু এতদিনেও তারা কি এমন কোনও কর্মসূচি দিতে পেরেছে, যা সরকার বা আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে?’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির গঠনতন্ত্র থেকে সাত ধারা বাদ দেওয়া ঠিক হয়নি, অনৈতিক কাজ হয়েছে, যা জনগণের আস্থা অর্জনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।








