দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ দিন ধরে আইন নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার পর গত ২৪ আগস্ট (সোমবার) আইন সংশোধনে কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেই আইন সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০১০ সালের আইনটি যুগোপযোগী করতে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিটি একটি খসড়া তৈরি করবে। কোথাও অসঙ্গতি বা সমস্যা রয়েছে মনে হলে তা চিহ্নিত করবে। প্রয়োজনে সংযোজন, বিয়োজন, সংশোধন, পরিমার্জন করে এক মাসের মধ্যে একটি খসড়া তৈরি করে মতামতসহ মন্ত্রণালয়কে প্রতিবেদন দেবে। তারপর ওই খসড়া নিয়ে অংশীজনের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত করা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আইনের কোথাও সমস্যা রয়েছে কিনা তা দেখবে কমিটি, সমস্যা থাকলে তা চিহ্নিত করবে। যুগোপযোগী খসড়া তৈরির পর আমরা অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে তা চূড়ান্ত করবো।’
গত ২৫ আগস্ট গঠন করা তিন সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। অন্য দুই জন সদস্য হচ্ছেন বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১) আ. ন. ম. তরিকুল ইসলাম।
বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, ‘আশা করছি খসড়া নিয়ে অংশীজনের সঙ্গে মন্ত্রণালয় আলোচনা করবে। খসড়া চূড়ান্ত করার আগেই অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হবে।’








