নিম্নমানের কাজ করলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেমন শাস্তি দেওয়া হবে, তেমনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্বিগুণ জরিমানার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘অনেক কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভালো কাজ করছেন। কিন্তু গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।’
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে গ্রামীণ, ইউনিয়ন, উপজেলা ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়ার সড়ক টেকসইভাবে নির্মাণের জন্য ডিজাইন পরিবর্তনের বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন, এলজিইডি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সমন্বয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে একসময় রাস্তা-ব্রিজ লো-কস্টে নির্মাণ করা হতো। যার ফলে এসব রাস্তা-ব্রিজ টেকসই হতো না। তাই স্থানীয় পর্যায়ের সহ সব সড়ক টেকসইভাবে নির্মাণের জন্য সঠিক প্রাক্কলন ব্যয় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।’
তিনি জানান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) দিয়ে গ্রামীণ সড়কের ডিজাইন সংশ্লিষ্ট সমীক্ষা করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে গ্রামীণ রাস্তা ১০ ফুট, ইউনিয়ন পর্যায়ে ১২ ফুট, উপজেলা পর্যায়ে ১৮ থেকে ২০ ফুট এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়ার জন্য ১৮ থেকে ৩৬ ফুট চওড়া রাস্তা করার প্রস্তাব করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশের সব রাস্তা-ব্রিজ নির্মাণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশের উন্নয়নে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। ক্রমবর্ধমান গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে দেশের প্রতিটি গ্রাম পর্যন্ত উন্নত সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের বিকল্প নেই।’
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) শামীমা নার্গিস, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







