শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জিএম কাদেরের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৯ নভেম্বর ২০২০, ২২:০০আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২০, ২২:৪৯

গোলাম মোহাম্মদ কাদের করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) সংসদ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ বন্ধ। অটোপাস চালু করা হয়েছে। অফিস আদালাত বন্ধ করা হচ্ছে না। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা দেখি না। পরীক্ষার কার্যক্রম বন্ধ রেখে অটোপাস মেধাবীদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। যারা ক্লাস করতে চান তাদের জন্য খুলে দেওয়া উচিত। যারা পরীক্ষা দিতে চান তাদের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। দায়দায়িত্ব আছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, কিন্তু টিউশন ফি আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। ছাড় দেওয়া উচিত।’

সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার সঙ্গে করা হয়েছে। ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে শুধু মাসিক সামান্য অর্থ দেওয়া হয়। সাধারণ প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করা হয়েছে। ইবতেদায়ি মাদ্রাসাকেও জাতীয়করণের আওতায় না আনা হলেও এমপিওভুক্ত করা উচিত।’

করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সামনে শীত আসছে। সারা পৃথিবীতে প্রকোপ বাড়ছে। দেশেও বাড়ছে। মৃত্যুও বাড়ছে। সরকারের তরফ থেকে প্রস্তুত। বেশিরভাগ রোগী বাসায় বা বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেই বললেই চলে। বিশেষ করে মফস্বলে ব্যবস্থা নেই। এখনই সরকারি হাসপাতালে সুযোগ সৃষ্টি না করলে শীতে প্রাণহানি বেড়ে যাবে। অননুমোদিতভাবে হাসপাতাল চলছে। মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে এ ধরনের একটি প্রতিষ্ঠানে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়গুলোতে দৃষ্টি দেবে।’ 

জিএম কাদের আরও বলেন, ‘চিনিকলগুলো যেকোনও কারণে হোক, মৌসুমের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে না। শ্রমিক কর্মচারীরা মনে করছে বন্ধ করে দেওয়া হবে। বন্ধ হলে খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। কয়েক লাখ মানুষেরও জীবন জীবিকা জড়িত। এগুলো চালু রাখা দরকার।’

নিত্যপণ্য অস্থির করে দাম বাড়ানো হচ্ছে। বাজার নাগালের বাইরে চলে গেলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আলুর ফলন আগের বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে। কিন্তু দাম বেড়েছে। ঘাটতির কথা নয়।’

/ইএইচএস/ এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম