আমি জানি না তাদের আপিল কবে দাখিল করা হয়েছিল: আইনমন্ত্রী 

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৪:২৭আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৫:৫২

‘আপিল শুনানির আগে’ চুয়াডাঙ্গার একটি হত্যা মামলায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়ায় কোনও ভুল হয়নি বলে জানিয়েছেন আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘যে বিভ্রান্তি ঘটেছে সেটি হয়তো কোনও একসময় একটা আপিল কেউ দাখিল করেছিল। আমি আমার ওকালতি জীবনে যেটা দেখেছি সেটা হচ্ছে, এই রকম আপিল দাখিল করা হলে জেল আপলিও যদি থাকে তাহলেও দুটো একসঙ্গে নিষ্পত্তি হয়ে যায়। আমি জানি না তাদের আপিল কবে দাখিল করা হয়েছিল এবং জেল আপিলটা একসঙ্গে কেন করা হলো না।’

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

চুয়াডাঙ্গার একটি হত্যা মামলায় ঝড়ু ও মকিম নামের দুই আসামির নিয়মিত আপিল নিষ্পত্তির আগেই তাদের দণ্ড কার্যকর হয়েছে বলে বুধবার (৩ নভেম্বর) গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। 

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপিল শুনানির আগে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, এ কথাটি কিন্তু সঠিক না। তাদের আপিল শুনানি হয়েছে। জেল আপিল ছিল, জেল আপিল শুনানি হয়েছে। জেল আপিল শুনানির পর তাদের প্রাণভিক্ষা চাওয়ার যে অধিকার সেটাও দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি নাকচ করার পর তাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিচারিক আদালতে এবং হাইকোর্ট ডিভিশনে তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কনফার্ম করা হয়েছিল। জেল আপিলের শুনানি শেষে বিচারিক আদালত এবং হাইকোর্টের রায় বহাল রাখা হয়। তারপরে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চান। সেই আবেদন নাকচ করার পরে ফাঁসি কার্যকর করা হয়।’

জেল আপিল শুনানির সময় কোনও আইনজীবী থাকে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আপিলকারীদের আবেদন বিচারপতিদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। বিচারপতিরা শুনানি করে নিষ্পত্তি করেন।’

মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে আপিল বিভাগে নিয়মিত আপিল করেছিলেন দণ্ডিত ওই দুই ব্যক্তি।

বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন...

আপিল নিষ্পত্তির ৪ বছর আগেই দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

 

 

/এসএমএ/আইএ/
সম্পর্কিত
সালমান-আনিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছালো 
অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছালো
মানবতাবিরোধী মামলায় সালমান-আনিসুলের সাক্ষ্যগ্রহণ পেছালো
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী