সংগঠনের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) ছাত্রলীগ রাজধানীতে বিশাল মিছিল করলেও করোনার ঝুঁকি এড়াতে তারা মাস্ক পরেনি। বুধবার (৫ জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়টি ছাত্রলীগের গোচরে আনেন।
বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ছাত্রলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে সংগঠনটি।
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বলেন, ‘আবার করোনার প্রাদুর্ভাব আসছে। কালকে খুব ভালো তোমাদের র্যালি হয়েছে। চমৎকার র্যালি করেছো তোমরা। তবে একটু খুঁত আছে। কারও মুখে মাস্ক ছিল না। আমি ভালো করে ছবিগুলো খুঁজে খুঁজে দেখেছি, একটা মাস্কও কেউ পরোনি। এখনও অনেকে বসে আছো মাস্ক ছাড়া।’
তিনি বলেন, ‘নতুন ভ্যারিয়েন্ট যেটা আছে, এটা কিন্তু আরও মারাত্মক। কাজেই তোমরা যখনই এ রকম পাবলিক গ্যাদারিংয়ে যাবা, সবাই মাস্ক পরে থাকতে হবে। তোমাদের নিজেদেরকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। অন্যরাও যাতে পরে তার ব্যবস্থা নেবে। তুমি যদি নিজে সুরক্ষিত না থাকো, তাহলে অন্যকে সাহায্য করবে কীভাবে? ধন্যবাদ জানাই, বলার সঙ্গে সঙ্গে অনেকে পরেছো, এখনও অনেকে পরো নাই। আগামীতে কিন্তু এটা দেখতে চাই না। সবাই পরবা। তোমাদের মাস্ক কিন্তু আমি ব্যবহার করি।’ এ কথা বলে ছাত্রলীগের লোগো সংবলিত মাস্ক তুলে ধরে দেখান প্রধানমন্ত্রী
আলোনাচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর পরই ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে মাস্ক খুলে ফেলতে দেখা যায়।
এ সময় ডায়াসে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্য মাস্ক পরেই সভা সমাপ্তি করার জন্য সভাপতিকে আহ্বান জানান। মাস্ক ছাড়াই ডায়াসে গিয়ে সভা সমাপ্তির ঘোষণা দেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।









