করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশেষ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস টেস্টিং কিট, বিশেষ ধরনের মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও পিপিই উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে আরটিপিসিআর কিট প্রস্তুতকরণে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির ওপর প্রযোজ্য সমুদয় শুল্ককর মওকুফ করা হয়েছিল। আগামী ৩০ জুনের পর থেকে এসব পণ্যের ওপর বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে তিনি এ প্রস্তাব রাখেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধামন্ত্রীর দূরদর্শী দিকনির্দেশনায় দেশে এখন করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। তাই এই পণ্যসমূহের ওপর প্রদত্ত বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা আগামী ৩০ জুনের পর রহিত করার প্রস্তাব করছি।
এছাড়া স্বাস্থ্য খাতকে সুসংহতকরণে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য কানে শোনার যন্ত্রে ব্যবহৃত ব্যাটারির ওপর প্রযোজ্য শুল্ক কর হ্রাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তাছাড়া শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষায়িত হুইল চেয়ার আমদানিতে বিদ্যমান সব ধরনের শুল্ককর বিলোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।








