সিঙ্গাপুর ও কলম্বোর বদলে ভারতের বিশাখাপত্তম বন্দর হয়ে পণ্য পরিবহনের প্রস্তাব আছে ভারতের। প্রস্তাবটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখবে বাংলাদেশ। এজন্য টেকনিক্যাল টিম ভিজিট করবে। সক্ষমতা থাকলে আমরা পণ্য পরিবহণে বিশাখাপত্তম বন্দর ব্যবহার করবো।
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম দ্বোরাইস্বামীর সাথে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর নিয়মিত ব্যবহারে ভারত তাগাদা দিয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাস্তার ব্যবহার, ডিউটি ফি, নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এনবিআর। এনবিআর এক্ষেত্রে ক্লিয়ারেন্স দিলে মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নিবে।
দুই দেশের বন্দরসহ কিছু বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের আগে সমাধানের দিকে চায় ভারত।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে— এটা মির্জা ফখরুলের কথা। দ্যা হিন্দু পত্রিকায় একই শিরোনামে কলাম লেখা হয়েছে। বাংলাদেশের মাটি অনেক শক্ত। যারা এমন কথা বলে তারা ভারত ও বাংলাদেশবিরোধী শক্তি।
সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নীতি অবলম্বন করছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে মন্ত্রণালয়ও সেই নীতি অবলম্বন করছে। ৫০ ভাগ বিদ্যুৎ ব্যবহার কমিয়ে ফেলেছি। কৃচ্ছ্রতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। সারা বিশ্বের সংকট এটা। উন্নত বিশ্বও এই সংকটে ভুগছে।
তিনি বলেন, সারা বিশ্বে গ্যাস ও জ্বালানির সংকট। এটা সাময়িক বিষয়। ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে কথা হচ্ছে। ১০০টা বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হয়েছে। কিন্তু সব কেন্দ্র তো একসাথে চলে না, বন্ধ রাখা হয়।









