পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমরা খুবই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। করোনা পরিস্থিতি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, বন্যার কারণে আমরা কিছুটা পিছিয়ে ছিলাম। ল্যানসেটের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যার গতিবিধি পরিষ্কার বলা আছে। ২০৫০ সাল পর্যন্ত আমাদের জনসংখ্যা বাড়বে, ২১ শতকে গিয়ে আমাদের ১৬ কোটি জনসংখ্যা অর্ধেকে দাঁড়াবে। এটা আমাদের গণনা নয়, বিশ্বখ্যাত পণ্ডিতদের গণনা।
বুধবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ -এর প্রাথমিক তথ্য প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
এম এ মান্নান বলেন, জনসংখ্যার দিক থেকে আমরা যে অষ্টম স্থানে ছিলাম সেখানে থাকবো না। আমরা ২১তম স্থানে চলে যাবো। কয়েকটি দেশে জনসংখ্যা ভয়ঙ্করভাবে বাড়বে। জনমিতির যে সুবাতাস বইছে এটার সুবিধা আমরা পাচ্ছি। সেটা ২০৪৫ এর দিকে গিয়ে বন্ধ হয়ে যাবে। ২১ শতকে গিয়ে নির্ভরশীলতার সংখ্যা কমে যাবে। এটা জাপান ছাড়াও অন্যান্য উন্নত দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ভাসমান জনগোষ্ঠী যখন শুনলাম ২২ হাজার আমি বিশ্বাস করিনি। আমি যখনই কোথাও যাই দেখি শুয়ে আছে বসে আছে কোন না কোন জায়গায়। তখন আমাকে ব্যাখ্যা দিলেন কর্মকর্তারা। যে আসলে যাদের ভাসমান মনে করছি এরা আসলে ভাসমান নয়। ওই ব্যক্তি ভাসমান যার ঠিকানা নেই কোথাও। কমলাপুর স্টেশন, ফার্মগেট কিংবা কাওরানবাজারে যারা আছে তারা সন্ধ্যায় হলে কারো না কারো বারান্দা হলেও থাকে। সুতরাং এই ব্যাখ্যা জানার পর এই ২২ হাজার আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ২০১৪ সালে সাড়ে ২২ লাখ লোক বস্তিতে ছিল , এবার পেয়েছি ১৮ লাখ। তার মানে দরিদ্র কমছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।









