কেমন ছিল নির্বাচন কমিশনের এক বছর

এমরান হোসাইন শেখ
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০০:২১আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৬:১৬

আগের কমিশনগুলোর ধারাবাহিকতায় বিতর্ক পিছু ছাড়েনি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের। মেয়াদের এক বছরে নানা বিষয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে আইনি কাঠামোর মাধ্যমে গঠিত দেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের শুরুর দিকটা ভালো হলেও সময়ের ব্যবধানে নানা বিষয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বভার গ্রহণ করা বর্তমান কমিশনের বছরপূর্তি হচ্ছে যাচ্ছে সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি)। নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এবারই প্রথমবারের মতো কমিশন গঠিত হয়। এর আগের কমিশনগুলো সংবিধানের আলোকে গঠিত হলেও এ বিষয়ে আলাদা কোনও আইন ছিল না।

আইনি কাঠামোতে গঠিত হলেও বিএনপি ও তার মিত্ররা নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা জানায়। তারা ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির সংলাপও বর্জন করে। ইসি গঠনের পরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে সিইসিকে চরম বিতর্কিত বলে অভিযোগ তোলে। তারা এই কমিশনের অধীনে কোনও নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেও ঘোষণা করে।

কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা জানায়। এমনকি নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে পদত্যাগ করারও ঘোষণা দেয় এই কমিশন। দায়িত্ব পালনের শুরুর দিকটাতে কথা ও কাজের মধ্যে ব্যাপক মিল পাওয়া গেলেও দিনে দিনে বেশ খানিকটা বিতর্কে জড়াতে থাকে। শুরুর দিকে কমিশন বেশ কিছু ক্ষেত্রে কঠোর সিদ্ধান্তও নেয়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দানে বাধা দেওয়ার কারণে নির্বাচন স্থগিতের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে প্রার্থিতাও বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত তারা নিয়েছে।

কমিশন প্রথম ধাক্কা খায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গিয়ে। নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে কুমিল্লা সদরের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে এলাকা ছাড়তে নির্দেশ দেয়। তবে বাহার ইসির ওই নির্দেশ অমান্য করে নিজের এলাকায় অবস্থান  করেন। নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করেন। পরে অবশ্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার দাবি করেন, সংসদ সদস্যকে তারা স্থান ত্যাগ করতে বলতে পারেন না এবং বলেননি। কাজেই তিনি কিছু ভঙ্গ করেন নাই। তারাও ব্যর্থ হননি। এদিকে ইভিএমে অনুষ্ঠিত কুমিল্লা সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনও প্রশ্ন না উঠলেও ফলাফল ঘোষণার সময়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে ইসি। ফলাফল প্রকাশের ‍শুরুতে দুই প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়া্ই দেখা গেলেও এক পর্যায়ে কিছুক্ষণ ফলাফল ঘোষণা বন্ধ রাখেন রিটার্নিং অফিসার। পরবর্তীকালে সমন্বিত ফল প্রকাশের পর বিজিত প্রার্থী কারচুপি করে ফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। অভিযোগের বিষয়টি গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচারিতও হয়। অবশ্য কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সবগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভিতে মনিটর করার ঘটনা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়।

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সংলাপে ব্যাপক সাড়া পেলেও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের সময় ধাক্কা খায় কমিশন। দেশের ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপিসহ ৯টি দল সংলাপ বর্জন করে। এর আগে ইভিএম এডুকেশন বিষয়ক সংলাপেও বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি দল সাড়া দেয়নি। প্রসঙ্গত, বিদায়ী কে এম নূরুল হুদা কমিশনও নিরপেক্ষ ভোট ইস্যুতে নানা বিতর্কে জড়ালেও সংলাপে তারা সফল হয়েছিল। হুদা কমিশনের সংলাপে দেশের সব নিবন্ধিত দলগুলো অংশ নিয়ে তাদের মতামত দিয়েছিল। এমনকি ওই কমিশনের অধীনে জাতীয় সংসদ ও তৎপূর্ববর্তী সবগুলো ভোটেই বিএনপি অংশগ্রহণ করেছিল।

রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের সময়ও বেশ কিছু বেফাঁস মন্তব্যের কারণে বর্তমান কমিশন সমালোচনার মুখে পড়ে। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের সময়কালে কেউ ‘তলোয়ার নিয়ে এলে, তাকে রাইফেল দিয়ে প্রতিরোধ করতে হবে’ বলে মন্তব্য করেন সিইসি। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হওয়ায় ওইদিনই বিকালে তা প্রত্যাহার করে নেন। পরে অন্য একটি দলের সঙ্গে সংলাপে তলোয়ার প্রসঙ্গ এলে সিইসি ওই বক্তব্যের জন্য ক্ষমাও চান।

ওই সময়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিভুরঞ্জন সরকার তার কলামে লেখেন, ‘শপথ গ্রহণের পর থেকে কিছু বালখিল্য মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন। বেশি কথা বলা যে ভালো না, এটা যে ব্যক্তি বোঝেন না, তাকে দিয়ে ভালো কাজ করা সম্ভব কিনা, সে প্রশ্ন করাই যায়। কাজের লোকেরা কথা কম বলেন, কাজ বেশি করেন।’

এর আগে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মাঠ ছেড়ে না যাওয়া ইস্যুতে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনেও বিতর্কে জড়ান সিইসি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজনৈতিক দলগুলোকে ভোটের মাঠ ছেড়ে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, মাঠ ছেড়ে চলে আসলে হবে না। মাঠে থাকবেন, কষ্ট হবে। এখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হয়তো দৌড়ে পালিয়ে যেতে পারতেন, কিন্তু উনি পালাননি। তিনি রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরোধ যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনের ক্ষেত্রও একটি যুদ্ধ, সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। যেখানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সেখানে কিছুটা ধস্তাধস্তি হয়। একজনের শক্তি দেখে চলে গেলে হবে না। দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

সিইসির ওই বক্তব্য নিয়েও বিরূপতা দেখা দিয়েছিল। তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে মৌখিক আলাপে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি মানটিটস্কি সিইসির ওই বক্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে ‘জেলেনস্কি’র মতো মাঠে থাকার আহ্বান জানানোর মাধ্যমে সিইসি রাশিয়াবিরোধী অবস্থান ব্যক্ত করছেন। ওই সময় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে জানানো হয়, এ বক্তব্য সিইসির একান্ত ব্যক্তিগত, বাংলাদেশের অবস্থান নয়।

ইভিএমে ত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া ইস্যুতে পুরস্কার ঘোষণা নিয়েও দায়িত্ব নেওয়ার তিন মাসের মাথায় বিতর্কে জড়ায় বর্তমান কমিশন। কমিশনার আনিছুর রহমান গত মে মাসের শেষ দিকে মাদারীপুরে এক অনুষ্ঠানে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরষ্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন। পরদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাকে উদ্ভট বলে মন্তব্য করেন। তার দাবি, সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সময় খেই হারিয়ে এমন ঘোষণা দিয়েছেন তার সহকর্মী আনিছুর রহমান। ওই পরিমাণ টাকা দেওয়ার সক্ষমতা ইসির নেই বলেও তিনি জানান।

রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে জাতীয় পার্টিসহ বেশ কিছু দল ইভিএমের বিপক্ষে মত দিলেও ইসি জাতীয় নির্বাচনে বড় পরিসরে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। তারা সর্বোচ্চ ৫০টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করবে বলে ঘোষণা দেয়। এজন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ইভিএম সংগ্রহে আট হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প পাসের তোড়জোড় শুরু করে। তবে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকার এ প্রকল্পটি স্থগিত করেছে। ইসি এখন বর্তমানে হাতে থাকা ইভিএম দিয়ে যতদূর সম্ভব আসনে ভোট করবে বলে জানিয়েছে।

বর্তমান কমিশনের সব থেকে আলোচিত সিদ্ধান্ত ছিল গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন। কুমিল্লা সিটির মতো ওই নির্বাচনও সিসিটিভিতে মনিটর করে ইসি। সিসিটিভি মনিটরে ব্যাপক অনিয়ম পেয়ে ইসি পুরো নির্বাচনটিকে বন্ধ করে দেয়। দেশের ইতিহাসে এ ধরনের পুরো ভোট বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনা অতীতে দেখা যায়নি। অবশ্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ইসি কিছুটা চাপ অনুভব করায় সাবেক ইসি ও ইসি কর্তাদের ডেকে পরামর্শও গ্রহণ করে। তাদের বেশিরভাগই ইসির এই সিদ্ধান্তকে আইনসিদ্ধ উল্লেখ করে বাহবাও দিয়েছে। ওই ঘটনার তদন্ত করে ইসি শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দেয়। তবে ইসির পক্ষ থেকে ওই ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি ফলোআপ করা হয়নি বলে জানা গেছে।

এদিকে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে সিসিটিভি ব্যাপক আলোচিত ও বিভিন্ন মহল থেকে স্বাগত জানানো হয়। দাবি ওঠে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএমের পরিবর্তে সিসিটিভি ব্যবহারের। অবশ্য পরবর্তীকালে ইসি নিজেই সিসিটিভি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। অর্থ সংকটের কথা উল্লেখ করে গত ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ৬টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে তারা সিসিটিভি ব্যবহার করেনি। সম্প্রতি তফসিল ঘোষিত চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে সিসিটিভি ব্যবহার হবে না বলেও ইসি তফসিল ঘোষণার সময়ে জানিয়েছে।

গত ৮ অক্টোবর এক বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে আস্থাহীনতার জন্য ডিসি-এসপিদের দায়ী করেন। পাশাপাশি জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় এমপিদের তরফে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কথা তুলে ধরেন। তিনি ডিসিদের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা নখ-দন্তহীন এবং তারা মন্ত্রী-এমপিদের ছাড়া চলতে পারেন না।’ তার বক্তব্যের এই পর্যায়ে সভাকক্ষের মধ্যেই একযোগে ডিসি-এসপিরা হইচই শুরু করেন। এ সময় সিইসিসহ অন্য কমিশনার এবং জননিরাপত্তা বিভাগের সচিবও মঞ্চে ছিলেন। এক পর্যায়ে কমিশনার আনিসুর রহমান বলেন, ‘তাহলে কি আপনারা আমার বক্তব্য শুনতে চান না?’ তখন সবাই একযোগে ‘না’ বললে নিজের বক্তব্য শেষ না করেই বসে পড়েন তিনি। ওই সময় সিইসির পক্ষ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত না আসায় বৈঠকের পরপরই অফিস ত্যাগ করেন ক্ষুব্ধ কমিশনার আনিছুর রহমান। এরপর তিনি এক সপ্তাহের বেশি দিন অফিসে আসেননি। ওই সময় তার পদত্যাগেও গুঞ্জন উঠেছিল।

বছরপূর্তিতে যা বললেন কমিশনার আহসান হাবিব খান

কমিশনের একবছর পূর্তি উপলক্ষে এক লিখিত প্রতিক্রিয়ায় কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সবগুলো নির্বাচন সততার সঙ্গে আন্তরিকভাবে করেছেন। নির্বাচনে প্রত্যাশিত সফলতা অর্জন করেছেন। তাদের কাজের মূল্যায়ন সময়ই বলবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

হাবিব খান বলেন, ‘কত সময় পার হলো, প্রথম বছর গেলো কিংবা শেষ বছর এলো— এটি আমার কাছে মুখ্য নয়। সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছি। এটা করেই যাবো। প্রতিটি কাজ স্বচ্ছতার সঙ্গেই করবো।’ 

তিনি বলেন, ‘আলাদা কোনও চ্যালেঞ্জ নয়, প্রতিটি নির্বাচন যেভাবে সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য করেছি, একইভাবে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনও করবো, ইনশাআল্লাহ। প্রধান নির্বাচন কমিশনারও ইতোমধ্যে বলেছেন, দেশে-বিদেশে সবার কাছে অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কঠোর বার্তা দিতে পেরেছি নির্বাচন ব্যবস্থাপনায়, গাইবান্ধা উপনির্বাচন অনিয়মের কারণে বন্ধ করে দিয়েছিলাম। সিটি নির্বাচনগুলো সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফিরছে। সামনেও নির্বাচন রয়েছে। সংসদ নির্বাচনেও আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে সুন্দর নির্বাচনের।’

এই কমিশনার বলেন, ‘বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ছয় আসনের উপনির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক না হওয়ায় ও উপনির্বাচন নিয়ে আগ্রহ কম থাকায় ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম হয়েছে। এটা সব নির্বাচনের দৃষ্টান্ত নয়। প্রতিটি নির্বাচনে আমাদের কঠোর মনোভাব, স্বচ্ছতা ও সদিচ্ছার কোনও ঘাটতি ছিল না, আগামীতেও থাকবে না।’

হাবিব খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যা করার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে সমাধানযোগ্য কোনও বিষয় কমিশনের কাছে প্রত্যাশা করাও সমীচীন নয়। সাংবিধানিকভাবে আমাদের দায়িত্ব যতটুকু, তার শতভাগ আমরা পালন করে যাবো।’

অবশ্য কমিশনার মো. আলমগীর এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাতে চাননি।

/এপিএইচ/এনএআর/
সম্পর্কিত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনআগস্টে তফসিল, অক্টোবরের শেষভাগে হতে পারে ভোট
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মাঠ পর্যায়ে ব্যালট বক্সের হিসাব চায় ইসি
ভোটার নিবন্ধন ফরম ৩০ জুনের মধ্যে ডাটাবেজে আপলোডের নির্দেশ ইসির 
সর্বশেষ খবর
মেহেরপুর সীমান্ত থেকে ৬ জনকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
মেহেরপুর সীমান্ত থেকে ৬ জনকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
মেডিক্যাল বর্জ্যে ছড়াচ্ছে দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী
মেডিক্যাল বর্জ্যে ছড়াচ্ছে দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনলো ইরানের ফুটবল ফেডারেশন 
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনলো ইরানের ফুটবল ফেডারেশন 
তিন দিনের সফরে রাশিয়া গেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী 
তিন দিনের সফরে রাশিয়া গেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী 
সর্বাধিক পঠিত
হোটেলের বুকিং বাতিল করে কেন কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা
হোটেলের বুকিং বাতিল করে কেন কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা
ঈদের ছুটি শেষে ফেরার পর এক গ্রুপের ১৮৬৮ জনকে চাকরি থেকে ছাঁটাই
ঈদের ছুটি শেষে ফেরার পর এক গ্রুপের ১৮৬৮ জনকে চাকরি থেকে ছাঁটাই
‘পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়ার দ্বারপ্রান্তে ইরান’
‘পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়ার দ্বারপ্রান্তে ইরান’
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের ওপর আ.লীগের হামলা, মোটরসাইকেলে আগুন
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের ওপর আ.লীগের হামলা, মোটরসাইকেলে আগুন
আগস্টে তফসিল, অক্টোবরের শেষভাগে হতে পারে ভোট
স্থানীয় সরকার নির্বাচনআগস্টে তফসিল, অক্টোবরের শেষভাগে হতে পারে ভোট