রাষ্ট্র হিসেবে ক্রমাগত অগগ্রতি ও উন্নয়ন এবং এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের চেষ্টার জন্য সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে ইন্ডিয়ান ওশান কনফরেন্সে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো। এই সম্মেলন আয়োজনের জন্য তারা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানায়। মরিশাস, সিঙ্গাপুর, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুক্র (১২ মে) ও আজ শনিবার (১৩ মে) পৃথক বৈঠকের পর স্থানীয় একটি হোটেলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আলোচনায় আমি বলেছি বাংলাদেশ পৃথিবীর ৩৫তম বৃহত্তম রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। একই সময় আমরা নিম্নআয়ের দেশ থেকে মধ্যআয়ের দেশে উপনিত হতে যাচ্ছি। এখানেই আমাদের যাত্রা থেমে থাকার নয়। আমরা ২০৪১ সাল নাগাদ উচ্চআয়ের রাষ্ট্রে পরিণত হতে চাই। এর জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং এ অঞ্চলের কিছুটা বাইরের রাষ্ট্র, যেমন জাপান বা অস্ট্রেলিয়া তাদের সহযোগিতা এবং বিশেষ করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার অধীনে যে শুল্ক সুবিধা আছে সেটি যেন ২০২৯ পর্যন্ত অব্যহত রাখে। আমরা ইতোমধ্যে পঞ্চম এলডিসি কনফারেন্সে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য সুবিধা তিন বছর থেকে বাড়িয়ে ছয় বছর করার জন্য বলেছি।’
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খরাসহিষ্ণু প্রতিরোধক একটি ধান আমরা উদ্ভাবন করেছি। জাপানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সফল সফর করেছেন। জাপানের ব্যবসায়ীরা যারা আসবেন তাদের ব্যবসায় পরিবেশ কীভাবে সহজ করা যায় সেটি নিয়ে কাজ করছেন বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।
তিনি বলেন, এক বাংলাদেশী ছাত্র অস্ট্রেলিয়ায় নিহত হয়েছেন এবং সেজন্য অস্ট্রেলিয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট মিনিস্টার দুঃখপ্রকাশ করছেন এবং এর যেন ন্যয়বিচার হয় সেটি তারা দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। জাপান সফরে যে চুক্তি সই হয়েছে বা যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে সেটির পরবর্তী পদক্ষেপ যেন দ্রুত নেওয়া হয় সেটির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খাদ্য প্রক্রিয়াকরন, গুদামজাতকরন, পরিবহন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং আরও উচ্চফলনশীল শস্য চাষাবাদে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করেছি বলে তিনি জানান।









