দুর্নীতি দূর করার মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব বলে মনে করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যান্য অন্তরায়ের মধ্যে একটি হলো দুর্নীতি। যা দূর করার জন্য সরকারের শীর্ষ মহল থেকে নানা প্রকার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। দুর্নীতি দূর করার মাধ্যমে দেশে যেমন গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হবে, তেমনি আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। যা পক্ষান্তরে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বুধবার (১৭ মে) রাজধানীর কাওরান বাজারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কার্যালয়ে মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ার ওলিভিয়ার ডি শ্যুটার সাক্ষাৎ করতে এলে ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ এসব কথা বলেন।
ড. কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২০ বছরের নিরীক্ষায় সুস্পষ্ট হয়েছে, দেশে সার্বিক দারিদ্র্য যেমন ৪৮ দশমিক ৯ ভাগ থেকে প্রায় ৩০ ভাগে এবং অতি দরিদ্রের হার ৩৪ দশমিক তিন ভাগ থেকে ৫ দশমিক ৬ ভাগে হ্রাস পেয়েছে, তেমনি আশ্রয়ণ প্রকল্প, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি, শিক্ষা উপবৃত্তি, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও সরকারের গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যান্য কর্মসূচির সঠিক বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক কোভিড মহামারির কারণে অনেকে চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েন। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকির ক্ষেত্রে আমাদের দেশ যেহেতু তালিকায় শীর্ষে রয়েছে, তাই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে অনেকেই দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠতে পারছে না।
জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ার কমিশনের কার্যক্রম ও এখতিয়ার সম্পর্কে জানতে চান এবং দলিত, শ্রমিক ও চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং বৈষম্য বিলোপ আইন বিষয়ে আলোচনা করেন। কমিশন চেয়ারম্যান কমিশনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।









