সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, কাঙাল হরিনাথ শোষিতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন কাজ করে গেছেন। অসচ্ছল এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ততটা শিক্ষিত হতে না পারলেও অবহেলিত গ্রামবাংলায় শিক্ষা বিস্তারের জন্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। নির্লোভ এ ব্যক্তিত্ব পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতা পেশা হিসাবে গ্রহণ করে সমাজের গরিব, অসহায়, শোষিত, নিষ্পেষিত মানুষের অধিকার আদায়ে 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' শীর্ষক মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন যা পরে সাপ্তাহিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে জাদুঘর আয়োজিত 'কাঙাল হরিনাথ: জীবন-কর্ম ও নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম' শীর্ষক সেমিনার, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাঙাল হরিনাথ ১ হাজার গান রচনা করেছেন বলে জানা যায়। এসব গান সংগ্রহ ও গবেষণায় কেউ এগিয়ে এলে তাকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় জাদুঘরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হবে।
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান ভূঁইয়া। আলোচনা করেন বিশিষ্ট গবেষক ও অনুবাদক এবং কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শিশির কুমার রায়। সেমিনারে স্বাগত বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ বলেন, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের ১৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার ব্যবহৃত ও দেশের প্রথম ঐতিহাসিক ছাপাখানাটি জাদুঘরে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাঙালি সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে হলে কাঙাল হরিনাথের জীবন-কর্ম তুলে ধরতে হবে।









