X
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
১০ ফাল্গুন ১৪৩০

বেলজিয়াম সফর নিয়ে যা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩১ অক্টোবর ২০২৩, ১৯:০৮আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৩, ১৯:১০

বেলজিয়ামে তিন দিনের সফর বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিকালে সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে সফর বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

গত ২৪ অক্টোবর ইউরোপীয় কমিশনের (ইসি) প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইনের আমন্ত্রণে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস সফরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফর শেষে গত ২৭ অক্টোবর দেশে ফেরেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক প্রথমবারের মতো আয়োজিত গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য আমি ২৪ থেকে ২৬ অক্টোবর ২০২৩ বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস সফর করি। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভোন দের লিয়েনের আমন্ত্রণে আমি এই ফোরামে যোগ দিই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, আমার বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমার সফরসঙ্গী ছিলেন।

সফরের প্রথম দিন ২৫ অক্টোবর সকালে আমার হোটেল স্যুইটে ইউরোপীয় কমিশনের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইউরোপীয় ট্রেড কমিশনার ভালদিস ডোমব্রোভসকিসের সঙ্গে আমার বৈঠক হয়।

বৈঠকে আমরা বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ৫০ বছরের অংশীদারত্বের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করি এবং ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করি।

আমি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এভরিথিং বাট আর্মসের আওতায় বাণিজ্য-সুবিধা প্রদানের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ধন্যবাদ জানাই।

কোভিড-১৯ ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, অবরোধ ও পাল্টা অবরোধের কারণে অর্থনৈতিক অভিঘাত বিবেচনায় নিয়ে আমি বাংলাদেশসহ অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশকে এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী তিন বছরের পরিবর্তে ছয় বছরের জন্য বাণিজ্য-সুবিধা ২০৩২ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানাই। একই সঙ্গে পরবর্তী ধাপে বাংলাদেশকে বাণিজ্য-সুবিধা প্রদানেরও অনুরোধ জানাই।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা, বিশেষ করে বিনিয়োগ-সুবিধা তুলে ধরে আমি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আইসিটিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই।

ইউরোপীয় ট্রেড কমিশনার বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য-সুবিধার বিষয়ে আরও আলোচনার বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন।

এরপর ইউরোপীয় কমিশন কার্যালয়ে কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভোন দের লিয়েনের সঙ্গে আমার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়।

বৈঠকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য আমাকে ধন্যবাদ জানান। বৈঠকে আমরা বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ৫০ বছরের ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার ঘোষণা দিই এবং এ লক্ষ্যে শিগগিরই দুপক্ষের মধ্যে পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্টের আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট ইউরোপীয় ইউনিয়নের এভরিথিং বাট আর্মসের আওতায় বাণিজ্য-সুবিধার অবদান তুলে ধরেন। বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক, নিরাপদ অভিবাসন, রোহিঙ্গা সমস্যাসহ বহুমুখী সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া গ্লোবাল গেটওয়ের আওতায় দুপক্ষের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কানেক্টিভিটিসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কৌশলগত বিষয়ে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের পর বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক এবং ইউরোপীয় কমিশনের মধ্যে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ৪৭৭ মিলিয়ন ইউরোর কয়েকটি ঋণসহায়তা এবং অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট, ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আমি উপস্থিত ছিলাম।

চুক্তিগুলোর মধ্যে ছিল ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের সঙ্গে ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর ঋণসহায়তা চুক্তি, ইউরোপিয়ান কমিশনের সঙ্গে ৪৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা অনুদান এবং ১২ মিলিয়ন ইউরোর সবুজ জ্বালানিবিষয়ক অনুদান চুক্তি। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয় কমিশনের মধ্যে বাংলাদেশের সামাজিক খাতে ৭০ মিলিয়ন ইউরোর পাঁচটি আলাদা অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট এবং আমি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করি।

বিকালে আমি গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের ওপেনিং প্ল্যানারি সেশনে বক্তব্য দিই। বক্তৃতায় গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থসামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরি। গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগটি সারা বিশ্বে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও টেকসই বিনিয়োগের একটি সেতুবন্ধ হয়ে উঠবে বলে আমি আশা করি।

পাশাপাশি আমি বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়াটি মসৃণ রাখার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য-সুবিধা বজায় রাখার আহ্বান জানাই।

আমি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান যুদ্ধ ও সংঘাত নিরসনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাই। অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে সে অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা ইত্যাদি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই।

একই দিন বিকালে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ড. ওয়ার্নার হোয়ার আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় আমি বাংলাদেশের নদী খনন, পানিসম্পদ রক্ষা, ভূপৃষ্ঠের পানি ব্যবহার করে সেচকাজ, রেল ও অন্যান্য কানেকটিভিটি, বাংলাদেশে টিকা উৎপাদন ও গবেষণার জন্য অবকাঠামো নির্মাণ, ফার্মাসিউটিক্যালস ও চিকিৎসাসামগ্রী উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই।

এরপর ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকোল বিয়ার আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান যুদ্ধ ও সংঘাত দ্রুত অবসানের ব্যাপারে একমত হই এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করি।

বিকালে ইউরোপীয় কমিশনের কমিশনার ফর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট জানেজ লিনারকিকের সঙ্গে আমার বৈঠক হয়। বৈঠককালে তিনি বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আরও ১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউরো অনুদানের ঘোষণা দেন। আমি রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই। এ ছাড়া ইউরোপিয়ান কমিশনের কমিশনার ফর ইন্টারন্যাশনাল পার্টনারশিপস জুত্তা উরপিলাইনেন আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এদিন সন্ধ্যায় আমি গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র এবং সরকারপ্রধানদের সম্মানে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট কর্তৃক আয়োজিত একটি নৈশভোজে অংশগ্রহণ করি।

সফরের দ্বিতীয় দিন ২৬ অক্টোবর সকালে আমি বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সান্দার ডি ক্রোর সঙ্গে তার কার্যালয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করি। এ সময় বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইবিএ) বাণিজ্য-সুবিধার অবদান তুলে ধরি। কোভিড-১৯ এবং ইউক্রেন যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অভিঘাত বিবেচনায় চলমান বাণিজ্য-সুবিধা আমাদের এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী তিন বছরের পরিবর্তে ছয় বছরের জন্য অব্যাহত রাখার বিষয়ে সহযোগিতার অনুরোধ জানাই।

বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী এবং আমি বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন, আইসিটি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও গ্রিন হাইড্রোজেন, পায়রা বন্দরের কাছে জাহাজ নির্মাণ এবং জাহাজ রিসাইক্লিং অবকাঠামো নির্মাণে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করি।

এ ছাড়া আমি বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রবর্তিত ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিমের অধিকতর উন্নয়নে বেলজিয়ামের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আহ্বান জানালে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এরপর লুক্সেমবার্গের প্রধানমন্ত্রী জাবিয়ের বেট্টেলের সঙ্গে আমার হোটেল স্যুইটে দ্বিপাক্ষিক হয়। বৈঠকে আমি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের চরাঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে লুক্সেমবার্গের উন্নয়ন সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানাই।

তার কাছেও আমি বাংলাদেশের জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাণিজ্য-সুবিধা ২০২৯-এর পরিবর্তে ২০৩২ পর্যন্ত বর্ধিত করার জন্য সহযোগিতা চাই।

এ ছাড়া বাংলাদেশে আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে লুক্সেমবার্গের বিনিয়োগের আহ্বান জানাই। লুক্সেমবার্গের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের বাণিজ্য-সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগসমূহ চিহ্নিত করার জন্য লুক্সেমবার্গ থেকে বাংলাদেশে একটি বাণিজ্য মিশন পাঠানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেন। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে শিগগিরই একটি বিমান চলাচল চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এরপর আমি গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের ক্লোজিং প্ল্যানারি সেশনে অংশগ্রহণ করি। এদিন বিকালে আমি বেলজিয়ামে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত একটি নাগরিক সংবর্ধনায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশগ্রহণ করি। এ ছাড়া এ সফরকালে ইউরোনিউজ ও পলিটিকো আমার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে।

আমি ২৬ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ব্রাসেলস থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হই এবং ২৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকায় পৌঁছাই।

ব্রাসেলসে আমার এ সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব এ সফরকালে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। গ্লোবাল গেটওয়ের আওতায় বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কানেকটিভিটি, শিক্ষা ও গবেষণা, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং চিকিৎসা সামগ্রী উৎপাদনে বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

আমার এ সফরের মাধ্যমে বেলজিয়াম এবং লুক্সেমবার্গের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃতি লাভ করবে বলে আমি আশাবাদী।

আরও পড়ুন:

‘বর্ষাকালে মুরগি এমনিতেই ডিম কম পাড়ে’

সরকার যেভাবে আছে নির্বাচনে সেভাবেই চলমান থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিএনপিকে শিক্ষা দেবো: প্রধানমন্ত্রী

সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিএনপিকে শিক্ষা দেবো: প্রধানমন্ত্রী

কে চোখ রাঙালো কে বাঁকালো, পরোয়া করি না: শেখ হাসিনা

খুনিদের সঙ্গে কীসের সংলাপ?

বিএনপি সন্ত্রাসী দল, আবারও প্রমাণ হলো: প্রধানমন্ত্রী

/এমআরএস/এনএআর/
সম্পর্কিত
৫ বছরে দেশকে যে জায়গায় নিয়ে যেতে চান প্রধানমন্ত্রী
একটা দলই আছে যাদের কিছু ভালো লাগে না: শেখ হাসিনা
কয়েকদিন একটানা টাঙ্গাইল শাড়ি পরার কারণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
অর্থ আত্মসাতের মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের ৫ কর্মকর্তার জামিন
অর্থ আত্মসাতের মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের ৫ কর্মকর্তার জামিন
বইয়ের প্রচার কি বইমেলা-কেন্দ্রিক?
বইয়ের প্রচার কি বইমেলা-কেন্দ্রিক?
রাতে সড়কে আরসিসি ঢালাই, সকালে ফাটল
রাতে সড়কে আরসিসি ঢালাই, সকালে ফাটল
ডেমরায় ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
ডেমরায় ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
বাড়িওয়ালাদের তালিকা ধরে অভিযান চালাবে এনবিআর
বাড়িওয়ালাদের তালিকা ধরে অভিযান চালাবে এনবিআর
ইউরোপে মানবপাচারে জড়িত বিমানবন্দরের কর্তারা: ডিবির হারুন
ইউরোপে মানবপাচারে জড়িত বিমানবন্দরের কর্তারা: ডিবির হারুন
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরভিঅ্যান্ডএফ কোরের সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে বলেছেন সেনাপ্রধান
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরভিঅ্যান্ডএফ কোরের সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে বলেছেন সেনাপ্রধান
পারমাণবিক বোমারু বিমানে চড়ে পশ্চিমাদের বার্তা দিলেন পুতিন
পারমাণবিক বোমারু বিমানে চড়ে পশ্চিমাদের বার্তা দিলেন পুতিন
হাসপাতাল পরিচালনায় ১০ নির্দেশনা, না মানলে লাইসেন্স বাতিল
হাসপাতাল পরিচালনায় ১০ নির্দেশনা, না মানলে লাইসেন্স বাতিল