জোয়ার সাহারার ভেতরে হীমবাড়ি এলাকায় গিয়ে নির্দিষ্ট বাড়ির নম্বরটি বলতেই একজন বললেন, সামনের দোকানের ঠিক উল্টোদিকের বাড়িটাই। ঠিকানাটা জানিয়েই বললেন, আপা নিশ্চয় সাংবাদিক। বুঝতে বাকি থাকল না, পুরো এলাকায় এখন বাড়িটাকে চিনে ফেলেছেন সবাই। কারণ, ওই বাড়িতেই থাকে শতাব্দী। সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে অভিযোগ করে যিনি অধিকার আদায় করে নিয়েছে।
বাড়িতে ঢুকে নিচতলাতেই একটি ফ্ল্যাটের দরোজার সামনে অনেক জোড়া জুতো দেখে বুঝে নিতে অসুবিধা হলো না এটাই শতাব্দীর বাসা। ভেতরে ঢুকতেই দেখা আরও কয়েকটি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে। সবাই এসেছেন জানতে, কবিতায় পড়া ভয় কাতুরে মাহবুবের মতো কী করে শতাব্দী এত সাহসী কাজ করল। তবে শতাব্দী বলল, সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময়ে, সেদিনই মিডিয়ায় আমাকে নিয়ে আলোচনাতেও আমার কিছু মনে হয়নি, কিন্তু পরদিন যখন দেখলাম আমার জন্য বাস দাঁড়িয়ে আছে, তখন মনে হলো, আমি বোধহয় কিছু একটা করেছি। একইসঙ্গে জানালেন, শুধু এই এলাকার জন্যই না, আমি চাই পুরো ঢাকা, পুরো বাংলাদেশের ছাত্রী-কর্মজীবী নারীদের জন্য কমপক্ষে হলেও যেন পঞ্চাশটি বাস বরাদ্দ করা হয়। এই আবেদন আমার প্রধানমন্ত্রী এবং যোগাযোগমন্ত্রীর কাছে। কোনও রাস্তায় নারীদের বাসে তুলতে কেউ যেন ইগনোর না করেন, রিজেক্ট না করেন, সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতেও তাদের আমার অনুরোধ জানাই।
মন্ত্রীকে প্রশ্ন করার মতো সাহস কিভাবে পেলে—জানতে চাইলে শতাব্দী কিছুক্ষণ ভেবে বলে, সবাই এটা জিজ্ঞেস করছেন।








