‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ সংসদে পাস

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৯আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১

জেল-জরিমানার বিধান করে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে বিলটি উত্থাপন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের রায়ে জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতের রায় কার্যকর এবং জলাভূমি সুরক্ষা, সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য সংসদে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ বিল আনা হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাওরকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সেচব্যবস্থা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণের আওতায় আনার উদ্দেশে ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। 

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতর প্রতিষ্ঠা করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। অধিদফতর প্রতিষ্ঠার পর হাওর অঞ্চলের অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদীপথে বাধা সৃষ্টি, বিষ ও কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং পর্যটনের বিরূপ প্রভাব মোবাবিলার জন্য আইনি কাঠামোর অপ্রতুলতা অনুভূত হয়।

বিবৃতিতে আরও জনানো হয়, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া ২০২০ সালে বেলার করা রিট পিটিশনের রায়ে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ দেন।

এ প্রেক্ষাপটে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, মাহমান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ বিলটি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

আইনের বিধান লঙ্ঘনে দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উভয় দণ্ডের অতিরিক্ত দণ্ড হবে না। 

 

/এসএমএ/এমএএল/
সম্পর্কিত
বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেলো কিশোরের
গড়ে তোলা হবে ১০ হাজার নার্সারি উদ্যোক্তা, হবে আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান 
জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বাপেক্সকে শক্তিশালী করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
সর্বশেষ খবর
চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ রেঞ্জে নতুন ডিআইজি
চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ রেঞ্জে নতুন ডিআইজি
নবীনদের র‍্যাগিং ও কান ধরে ওঠবস, জাহাঙ্গীরনগরের ৮ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
নবীনদের র‍্যাগিং ও কান ধরে ওঠবস, জাহাঙ্গীরনগরের ৮ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
স্ত্রী ছেড়ে যাওয়ায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করলো ছেলে
স্ত্রী ছেড়ে যাওয়ায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করলো ছেলে
ব্যবসায়ীকে মারধর করে দোকান বন্ধের হুমকি, পদ হারালেন শ্রমিক দল নেতা
ব্যবসায়ীকে মারধর করে দোকান বন্ধের হুমকি, পদ হারালেন শ্রমিক দল নেতা
সর্বাধিক পঠিত
এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নানান প্রশ্ন, দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুরের বক্তব্যে অমিল
এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নানান প্রশ্ন, দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুরের বক্তব্যে অমিল
সাবান-আইসক্রিমসহ চার প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ 
সাবান-আইসক্রিমসহ চার প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ 
জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল, জানা গেলো আসল ঘটনা 
জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল, জানা গেলো আসল ঘটনা 
এবার কাশিমপুর মহিলা কারাগারের জেল সুপার বদলি, জেলার বরখাস্ত
এবার কাশিমপুর মহিলা কারাগারের জেল সুপার বদলি, জেলার বরখাস্ত
সচিবালয়ে চাকরিতে যোগ দিতে এসে ৪ জন কারাগারে, কারণ কী   
সচিবালয়ে চাকরিতে যোগ দিতে এসে ৪ জন কারাগারে, কারণ কী