রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট  
১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৪আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৬

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকার সচেতন এবং এ লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৫তম দিনে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেনের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারে সরকার ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে।

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকার এর আগে এ ধরনের মামলা প্রত্যাহারের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটির নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনও হত্যা মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, গত ৫ মার্চ জেলা প্রশাসকদের সমন্বয়ে জেলা পর্যায়ে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করবে। এর ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ৮ মার্চ আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটি জেলা কমিটির সুপারিশ যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যসহ যে কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিকভাবে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হলে তা পর্যালোচনা করা হবে। কোনও মামলা হয়রানিমূলক বলে প্রতীয়মান হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘স্বাধীনভাবে বিচারকার্য করলে বদলির মাধ্যমে শাস্তি দেওয়া হতো’

একই দিনে সংসদে আরেক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কোনো আইনি বা প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা ছিল না। তবে বিচারকদের বদলি ও পদায়নে দলীয় আনুগত্যকে গুরুত্ব দেওয়া হতো।

চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনার চেষ্টা করতেন, তাদের সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বদলি করে কার্যত শাস্তি দেওয়া হতো।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার এ ধরনের চর্চা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিচারকদের পদায়নে সততা, দক্ষতা ও বিচারিক আচরণকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় সুপ্রিম কোর্টে সুপারিশ করবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সুপ্রিম কোর্ট।

/এসএমএ/এম/
সম্পর্কিত
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী
ধর্ষণের শিকার শিশু ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, থানায় মামলা
সাত মামলায় ডা. দীপু মনির জামিন আবেদন
সর্বশেষ খবর
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে নির্মিত ফ্লোটিং ক্রেন যুক্ত হলো নৌবহরে
নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে নির্মিত ফ্লোটিং ক্রেন যুক্ত হলো নৌবহরে
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের