নারী ও শিশু উন্নয়ন খাতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ৫ হাজার ৩৭১ কোটি টাকার তুলনায় ১৭৫ কোটি টাকা কম। তবে ২০১৪ সালের ৪ হাজার ৬৩০ কোটি টাকার তুলনায় এ খাতে বরাদ্দ বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নই উন্নয়নের অন্যতম নির্দেশক। আধুনিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নারীদের স্বনির্ভরতা এবং শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, কর্মজীবী নারীদের জন্য প্রথম ধাপে ২০টি এবং পরবর্তী ধাপে আরও ৬০টি আধুনিক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিদেশফেরত নারী শ্রমিকদের পুনর্বাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ভিজিডব্লিউবি (ভার্নারেবল উইম্যান বেনিফিট) কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ১০ লাখ ৪০ হাজার নারীকে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ‘কুইক রেসপন্স টিম’ আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, পথশিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
বাজেট বক্তব্যে আরও জানানো হয়, ঝুঁকিতে থাকা সুবিধাবঞ্চিত ও বিপন্ন শিশুদের সুরক্ষায় বর্তমানে দেশের ১৭টি জেলায় ৩৩টি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা, কল্যাণ ও ক্ষমতায়ন আরও জোরদার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।








