চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, কমিটি গঠনের নির্দেশ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৬ জুলাই ২০২৬, ১৫:৫৭আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৬, ১৫:৫৭

বাংলাদেশের চা শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শিল্পের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং চা শিল্প-সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন তিনি।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের চা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এমন মনোভাব ব্যক্ত করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন চা বাগানের মালিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থায়নের সংকট, জ্বালানি ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে তারা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কিছু দাবি-প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী চা শিল্পকে দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ শিল্পের বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী চা বাগান মালিকদের বিদ্যমান ঋণের দায় সহজীকরণ এবং স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি চা বাগানে চাষের অনুপযোগী জমিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার কথা জানান এবং এ ধরনের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।

সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং চা বাগান মালিক ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

/এমকে/আরকে/
সম্পর্কিত
আগামী বিশ্বকাপে বড় মুনাফা অর্জনের লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী
স্বাধীনতার পরপরই সেনাবাহিনীর ইমেজ বিনষ্ট করার চক্রান্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতিতে রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সর্বশেষ খবর
১৩ দিন পর ইরানে হামলা স্থগিত করতে কেন বাধ্য হলেন ট্রাম্প
১৩ দিন পর ইরানে হামলা স্থগিত করতে কেন বাধ্য হলেন ট্রাম্প
২৭ জুলাই থেকে প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু, হজে যেতে পারবেন না যারা
২৭ জুলাই থেকে প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু, হজে যেতে পারবেন না যারা
সাত মাসের মেয়েকে আছড়ে হত্যা: ৩ দিনের রিমান্ডে সেই বাবা
সাত মাসের মেয়েকে আছড়ে হত্যা: ৩ দিনের রিমান্ডে সেই বাবা
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপকারী বেশিরভাগই শিশু-কিশোর: ‘ফাঁসবেন’ অভিভাবকরা
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপকারী বেশিরভাগই শিশু-কিশোর: ‘ফাঁসবেন’ অভিভাবকরা
সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনা যে দিক দিয়েই আসবে সেই দিক দিয়েই বরণ করবো: এসএম জিলানী
শেখ হাসিনা যে দিক দিয়েই আসবে সেই দিক দিয়েই বরণ করবো: এসএম জিলানী
৩ নেতা একসাথে হলে এক সপ্তাহের মধ্যে এই সরকারের পতন: কর্নেল অলি আহমদ
৩ নেতা একসাথে হলে এক সপ্তাহের মধ্যে এই সরকারের পতন: কর্নেল অলি আহমদ
তোমরা আমার চাকরিটা খাইও না, হাতজোড় করে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ শিক্ষকের
তোমরা আমার চাকরিটা খাইও না, হাতজোড় করে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ শিক্ষকের
এবার আর ‘ভুল’ নয়, যেসব বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি বানাবে বিএনপি
এবার আর ‘ভুল’ নয়, যেসব বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি বানাবে বিএনপি
খানজাহান আলী বিমানবন্দরে চীনা অর্থায়নের আভাস: প্রস্তাব পেলে একনেকে উপস্থাপনের আশ্বাস
খানজাহান আলী বিমানবন্দরে চীনা অর্থায়নের আভাস: প্রস্তাব পেলে একনেকে উপস্থাপনের আশ্বাস