চা বাগানের মালিকদের শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিল ও নতুন ঋণের সুযোগ, ৬ শতাংশ সুদে আবর্তক বা চলমান তহবিল গঠন এবং চা-কে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণার বিষয় পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রীকে সভাপতি করে গঠিত ১২ সদস্যের এই কমিটি চা শিল্পের উন্নয়নে সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সুপারিশ দেবে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ‘বাংলাদেশের চা শিল্পের উন্নয়নে মনিটরিং ও পরামর্শক কমিটি’ গঠনের কথা জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক হাবিবুল হাসান।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চা বাগানের বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ সহজ করতে মালিকদের শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃনির্ধারণ বা পুনঃতফসিল এবং নতুন করে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করবে কমিটি। একই সঙ্গে চা খাতের জন্য ৬ শতাংশ সুদে একটি আবর্তক বা চলমান তহবিল গঠনের সম্ভাব্যতা নিয়ে মতামত দেবে।
এছাড়া চা-কে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা এবং চা বাগানের অব্যবহৃত জায়গায় বাণিজ্যিকভাবে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল স্থাপনের বিষয়ও পর্যালোচনা করবে কমিটি। এ দুটি বিষয়ে মতামতসহ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিটির সভাপতি বাণিজ্যমন্ত্রী। সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ চা সংসদের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক এবং টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান।
কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পদে সিনিয়র সচিব থাকলে তিনিও কমিটির অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবেন। প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

রান্না ছাড়াই পানিতে ভিজিয়ে খাওয়া যায় যে চাল







