এক দশক ধরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ঘিরে ‘সিন্ডিকেট’ বিতর্ক

সাদ্দিফ অভি
২৯ আগস্ট ২০২৬, ২২:০০আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩৩

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার খবরে স্বস্তি ফিরলেও ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তালিকায় থাকা অনেক এজেন্সির বিদেশে কর্মী পাঠানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই। এমনকি লাইসেন্স পাওয়ার পর একজন কর্মীও পাঠায়নি—এমন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পুরোনো সিন্ডিকেটই নতুন মোড়কে বৈধতা পেতে যাচ্ছে। তবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বলছে, বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনে বাংলাদেশের সরকারের হাত নেই। কারণ, এ চুক্তির শর্ত আওয়ামী লীগ সরকার তৈরি করে গেছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার। তবে গত এক দশকে বিতর্কের কারণে বাজারটি একাধিকবার বন্ধ হয়েছে। মূল বিতর্ক ঘুরপাক খেয়েছে সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত খরচ ও চাকরির নামে প্রতারণাকে কেন্দ্র করে। দীর্ঘদিন ধরে নিবন্ধিত সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার দাবি থাকলেও তা পূরণ হয়নি। আগে রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা নিয়ে লুকোচুরি থাকলেও এবার ৩৩৮টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

বারবার ফিরে আসে ‘সিন্ডিকেট বিতর্ক’

২০০৮ সালে বন্ধ হয়ে যায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। আট বছর পর ২০১৬ সালে তা আবার চালু হয়। এরপর দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর নতুন সমঝোতা চুক্তির পর তিন বছর পর বাজারটি আবার খোলে। ২০২২ সালের আগস্টে বাংলাদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়া যেতে শুরু করেন। ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বন্ধ হয়ে যায় বাজারটি।

২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে সব কর্মী নিয়োগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সরকার নির্ধারিত খরচ ৩৩ হাজার ৩৭৫ টাকা হলেও কর্মীদের কাছ থেকে ২ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা নেওয়া হয়। ওই সময়ে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এরপর ২০২২ সালে প্রায় চার বছর বন্ধ থাকার পর বাজারটি আবার খুললেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। প্রথমে ২৫টি, পরে ১০০টি এজেন্সিকে কাজ দেওয়া হয়। বাংলাদেশে ২ হাজারের বেশি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি থাকলেও বাকিরা সরাসরি কাজের সুযোগ পেত না। তাদের চাহিদাপত্র ওই ১০১টি এজেন্সির মাধ্যমে এফডব্লিউসিএমএস সিস্টেমে প্রসেস করতে হতো। এই সিস্টেমের মাধ্যমেই মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ করা হয়।

এই চক্রের পেছনে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দাতো সেরি আবদুল আমিনের প্রতিষ্ঠান সিনারফ্ল্যাক্স ও বেস্টিনেটের নাম বারবার এসেছে।

জনশক্তি রফতানিকারকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু সিন্ডিকেট ফি হিসেবে প্রতি কর্মীর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। ৪ লাখের বেশি কর্মী পাঠিয়ে ৬ হাজার কোটির বেশি এবং দেড় বছরে মোট ১৮ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে এই বাজার ঘিরে।

গত ২৮ আগস্ট মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএসে ৩৩৮টি বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর আগে ২১ আগস্ট ২৫টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশের পর ‘সিন্ডিকেট’ পুনরায় করার অভিযোগ ওঠে। সরকারের অনুরোধের পর ২৫টি প্রধান এজেন্সির অধীনে ২৫০টি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের অধীনে ৬২টি—মোট ৩১২টি এজেন্সিকে ‘সহযোগী এজেন্সি’ হিসেবে যুক্ত করে তালিকাটি ৩৩৮টিতে নেওয়া হয়।

জনশক্তি রফতানিকারকেরা জানান, এফডব্লিউসিএমএসে ২৫টি মূল এজেন্সি, তাদের অধীনে ১০টি করে ২৫০টি এবং বোয়েসেলের অধীনে ৬২টিসহ মোট ৩৩৮টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, এই ৩৩৮টি এজেন্সি সরাসরি কাজ করতে পারবে কি না। অতীতেও প্রায় ১ হাজার ৪০০ এজেন্সি এফডব্লিউসিএমএসে তালিকাভুক্ত ছিল। কিন্তু সরাসরি কর্মী পাঠানোর সুযোগ পেয়েছিল প্রথমে ১০টি, পরে ২৫টি ও ১০০টি এজেন্সি।

তাদের প্রশ্ন, ২৫টি মূল এজেন্সির অধীনে থাকা ১০টি করে এজেন্সির ভূমিকা কী? তারা কি সরাসরি ডিমান্ড আনতে ও কর্মী পাঠাতে পারবে, নাকি ২৫টি এজেন্সির সাব এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৩৩৮ এজেন্সির একটি প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা আসলে বিষয়টা পরিষ্কার না। অনেকেরই মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর অভিজ্ঞতা নেই। অন্য মার্কেটের সঙ্গে এই মার্কেটের সিস্টেম আলাদা। ২৫ এজেন্সির অনেকেই আগে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠায়নি। এখন কীভাবে কী হবে, সেটি অস্পষ্ট।’

জনশক্তি রফতানিকারকদের দাবি, অতীতে অন্যান্য সিন্ডিকেটের সময় ৬০০-৭০০ এজেন্সি তাদের অধীনে কাজ করার সুযোগ পেলেও এবার তা আরও সীমিত হয়েছে।

এবারও তালিকায় মূল এজেন্সি হিসেবে থাকা ২৫টির কয়েকটির বিএমইটি ক্লিয়ারেন্সে কর্মী পাঠানোর কোনো তথ্য নেই বলে সেখানকার একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি তালিকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ওই কর্মকর্তার দাবি, এমনও প্রতিষ্ঠান আছে, যার লাইসেন্স ১০ বছর আগে নেওয়া হলেও আজ পর্যন্ত কোনো কর্মী পাঠায়নি।

জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আগেও আমরা ১ হাজার ৪০০ রিক্রুটিং এজেন্সির নাম এফডব্লিউসিএমএসে পেয়েছি। কিন্তু কাজ করেছে মাত্র ২৫ জন। ফলে এখানে নতুন কিছু নেই। পুরোনো জিনিসকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে হাজির করা হয়েছে।’

এবার ১০ হাজার কর্মী যাবে ‘বিশেষ ব্যবস্থায়’

আগামী তিন মাসের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাবে। সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে তাদের পাঠানো হবে। তারা মালয়েশিয়ার সেবা খাতে কাজ করবেন। এই খাতে মালয়েশিয়ায় কর্মী সংকট রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশটি এই খাতে ১৫ হাজার কর্মী নেবে। 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বলছে, মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুরোধে এই ১০ হাজার কর্মী নিতে আগ্রহী মালয়েশিয়া। তাদের সম্পূর্ণ বিনা খরচে পাঠানো হবে। তাদের পাঠানোর মধ্য দিয়ে সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হতে পারে। ২০২৪ সালের জুনে যেতে না পারা প্রায় ৫ হাজার কর্মী এই ধাপে যেতে পারে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

সরকার বলছে ‘ঐতিহাসিক অর্জন’

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা নিয়ে গত বেশ কয়েকদিন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গেছেন। তবে শুক্রবার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ছয় মাস ধরে বাংলাদেশ সরকারের ধারাবাহিক অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ বিবেচনায় মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে একটি বিশেষ সুযোগ দিয়েছে। মালয়েশিয়া তাদের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিকে সরাসরি নির্বাচিত করেছে। বাংলাদেশের অবস্থানকে সম্মান জানিয়ে আরও ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি হিসেবে কর্মী প্রেরণের সুযোগ দিচ্ছে। এর পাশাপাশি একমাত্র সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)ও এই প্রক্রিয়ায় কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

সরকারের ভাষ্য, বিদ্যমান বহুবিধ নিয়মতান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও একযোগে বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী প্রেরণের সুযোগ একটি ঐতিহাসিক অর্জন।

সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এজেন্সি যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি করেছে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটি। অতীতে এ ধরনের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের কোনো নজির ছিল না। এই বাছাই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ৩১ ডিসেম্বর বর্তমান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হলে নতুন সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমোদনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা হবে বলে সরকার দৃঢ়ভাবে আশাবাদী। অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অংশ হিসেবে সব রিক্রুটিং এজেন্সি যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে, সরকার তা চায়। তবে চলমান উদ্যোগের ক্ষেত্রে ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া সীমাবদ্ধতায় নির্বাচিত সরকার আবদ্ধ।

সরকারের দাবি, ফ্যাসিবাদী আমলের দুর্নীতি, দুঃশাসন, সিন্ডিকেট ও অনিয়মের কারণে বন্ধ থাকা শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হচ্ছে। বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে একাধিক বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সরাসরি বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণের ঐতিহাসিক ও বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল, তাতে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণকারী বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাইয়ের দায়িত্ব এককভাবে মালয়েশিয়া সরকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, এ ধরনের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির বহিঃপ্রকাশ। ওই সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকায় মালয়েশিয়া সরকারের আরোপিত শর্ত বাংলাদেশের পক্ষে পরিবর্তন করা সহজ নয়। তবে এ বিষয়ে বর্তমান সরকার মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে সর্বোচ্চ নেগোসিয়েশনের চেষ্টা করেছে।

সরকারের দাবি, মালয়েশিয়ার নিজস্ব আইনি শর্ত ও নীতিমালার সঙ্গে সর্বোচ্চ সমন্বয় রেখে বাংলাদেশের স্বার্থ এবং রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কল্যাণ ও সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় করতে সক্ষম হয়েছে।

বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় শিগগিরই মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের দুয়ার খুলছে বলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ অনুরোধে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বা জিরো কস্টে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। বিমান ভাড়াসহ সব ধরনের অভিবাসন ব্যয়মুক্ত এসব কর্মীর প্রথম বহর সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর মধ্য দিয়ে শ্রমবাজার আবার শুরু হবে।

‘তালিকা বড় করা সমাধান নয়’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তালিকা বড় করা সমাধান নয়। অ্যাসোসিয়েট এজেন্সিগুলো সরাসরি এফডব্লিউসিএমএসে নিজ নামে ছাড়পত্র নিতে না পারলে অভিজ্ঞতা ছাড়া অখ্যাত এজেন্সির মাধ্যমে বাজার চললে প্রতারণা ও খরচ দুটোই বাড়বে। ৩১ ডিসেম্বরের পর নতুন সমঝোতা স্মারকে সব বৈধ এজেন্সির জন্য বাজার উন্মুক্ত করাই স্থায়ী সমাধান।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সব সময় এই শ্রমবাজারে পেছন থেকে যেসব প্রভাবশালী কলকাঠি নেড়েছেন, তারাই বহাল। নতুন করে শুরু হতে যাওয়া মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে তাদের ছায়াই স্পষ্ট হলো। আর এই সিন্ডিকেটের বড় অংশ মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। এখানে আমরা নতুন কিছু পাচ্ছি না। শুধু কিছু মুখ পরিবর্তন হচ্ছে এজেন্সির নামে।’

/ইউএস/
সম্পর্কিত
যুক্তরাষ্ট্রে ফোবানা সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামকে টপকাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, ১০ হাজার কর্মী যাবে ‘জিরো কস্টে’
সর্বশেষ খবর
ফের বিতর্কে কুশাখালী যুবদল, ১৮ নেতার পদত্যাগ
ফের বিতর্কে কুশাখালী যুবদল, ১৮ নেতার পদত্যাগ
বিদ্যুতের ঘাটতি ছাড়ালো সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট, ভয়াবহ লোডশেডিং
বিদ্যুতের ঘাটতি ছাড়ালো সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট, ভয়াবহ লোডশেডিং
গুম সম্পর্কিত বিল নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম
গুম সম্পর্কিত বিল নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম
গুম বিষয়ক প্রস্তাবিত আইন ন্যায়বিচারের পথ সুগম করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গুম বিষয়ক প্রস্তাবিত আইন ন্যায়বিচারের পথ সুগম করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে হচ্ছে কী
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে হচ্ছে কী
সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 
সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 
‘এরা আমাকে মেরে ফেলবে’; মৃত্যুর আগে তরুণীর আকুতি, সন্তানসহ মৃত্যু
‘এরা আমাকে মেরে ফেলবে’; মৃত্যুর আগে তরুণীর আকুতি, সন্তানসহ মৃত্যু
জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন আইরিন খান
জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন আইরিন খান
খেলনা বন্দুক হাতে ভিডিও বানানো সেই দুই তরুণ আটক
খেলনা বন্দুক হাতে ভিডিও বানানো সেই দুই তরুণ আটক