নৌপথে দুর্ঘটনা রোধ ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট লঞ্চ চলাচলে নিরুৎসাহিত করছে সরকার। এর পরিবর্তে মালিকদের দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট লঞ্চ পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। বেলা ৩টায় শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
লিখিত প্রশ্নের জবাবে নৌপথে দুর্ঘটনা হ্রাস এবং বর্ষা ও দুর্যোগপূর্ণ মৌসুমে উপকূলীয় যাত্রীদের নিরাপত্তায় সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌ-মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত ‘স্থায়ী আদেশ’ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে যাত্রীবাহী লঞ্চ বহরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত বড় আকারের লঞ্চ যুক্ত হওয়ায় দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমেছে।
দুর্ঘটনা রোধে সরকারের আরও কিছু পদক্ষেপের কথা জানান মন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে-
১. নির্দিষ্ট সময়ের আগে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য রুট ডিক্লারেশন প্রদান।
২. নৌ-সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রচার এবং টার্মিনালে মেগাফোনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি।
৩. গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দরগুলোতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা।
৪. ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করলে যাত্রা স্থগিত করা।
৫. ফিটনেসবিহীন ও আনরেজিস্টার্ড নৌযান চলাচল বন্ধে বিআইডব্লিউটিএ’র নিয়মিত অভিযান।









