ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের তেজগাঁও টোল প্লাজায় যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ কমাতে সোনারগাঁও গোলচত্বর থেকে উত্তরমুখী নতুন একটি র্যাম্প নির্মাণ করছে সরকার। পাশাপাশি টোল আদায় দ্রুত করতে আরও বেশি লেনে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে চালু থাকা কাওলা থেকে এফডিসি ক্রসিং পর্যন্ত অংশে ছয়টি টোল প্লাজা রয়েছে। এর মধ্যে বিমানবন্দর ও তেজগাঁও টোল প্লাজায় যানবাহনের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তেজগাঁওয়ে চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি।
এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, বর্তমানে তেজগাঁও টোল প্লাজা ব্যবহার করেই উত্তর দিকে বনানী, কুড়িল ও বিমানবন্দরের দিকে যাওয়া যায়। তবে এক্সপ্রেসওয়ের মূল নকশায় সোনারগাঁও গোলচত্বর থেকে র্যাম্পের মাধ্যমে উত্তর দিকে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সেই র্যাম্পের নির্মাণকাজ চলছে।
র্যাম্পটি চালু হলে তেজগাঁও টোল প্লাজার ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করছে সরকার। একই সঙ্গে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
টোল আদায়ের গতি বাড়াতে ইতোমধ্যে অন-বোর্ড ইউনিট (ওবিইউ) ব্যবহার করে ইটিসি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বিমানবন্দর, কুড়িল, বনানী-১ ও তেজগাঁও টোল প্লাজার মোট সাতটি লেনে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এ ব্যবস্থায় ১ হাজার ৮৭৭টি গাড়ি নিবন্ধিত হয়েছে।
এ ছাড়া অনলাইনে টোল পরিশোধের সুবিধা দিতে আরএফআইডি-ভিত্তিক ইটিসি ব্যবস্থাও চালুর প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বনানী-১ টোল প্লাজার একটি লেনে পরীক্ষামূলকভাবে এ ব্যবস্থা চালু করে ট্রায়াল চলছে।
মন্ত্রী বলেন, সোনারগাঁও গোলচত্বরের র্যাম্প চালু এবং আরএফআইডি-ভিত্তিক ইটিসি ব্যবস্থা বাস্তবায়ন হলে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাগুলোতে যানবাহনের চলাচল আরও স্বস্তিদায়ক হবে।









