বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ চুক্তি কার্যকর হলে জিটুজি (সরকার টু সরকার)পদ্ধতিতে বিনিয়োগ করা যাবে। এছাড়া নতুন বিনিয়োগের দ্বার উন্মোচিত হবে। সোমবার (২ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম একথা জানিয়েছেন।
সভায় সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম বলেন, কুয়েতের সঙ্গে বাংলাদেশের এই চুক্তির আওতায় উভয় দেশের শিল্প উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ ও ভিসা–সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারবে।
বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম বলেন,রেলওয়ে সম্পত্তি (অবৈধ দখল উদ্ধার) আইন, ২০১৬- এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯৭৯ সালে এ আইনটি প্রথম প্রণয়ন করা হয়। আইনে রেলওয়ের সম্পত্তি চুরি,অবৈধ দখল এসব বিষয় অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। এ অপরাধের জন্য ৭ বছরের কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড হতে পারে। এছাড়া অপরাধের সহায়তাকারীর পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড হতে পারে।
সচিব আরও বলেন, কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী কর বহির্ভূত রাজস্ব পুনর্নির্ধারণ প্রস্তাবের অনুমতি দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে এখন থেকে কর বহির্ভূত সবধরনের ফি দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে।
এ ছাড়া বৈঠকে জ্বালানি সহায়তা (বিদ্যুৎ) সংক্রান্ত সার্ক ফ্রেমওয়ার্ক–সংক্রান্ত চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়। এর ফলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিদ্যুৎ গ্রিডে বাংলাদেশ যুক্ত হতে পারবে।
আরও পড়ুন:
/ওএফ/এআর/এফএস/







