পাবনায় গাজী পাম্পের বিক্রয় কর্মকর্তা আকতারুজ্জামানের (৩৫) নয় টুকরা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় শহরের কৃষ্ণপুরের একটি ৫ তলা বাড়ির নিচতলা তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তার দূর সম্পর্কের চাচাতো ভাই রাহিদুজ্জামান রাহেদকে আটক করা হয়েছে।
নিহত আকতারুজ্জামান কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পাইকপাড়ার নান্দিয়া গ্রামের আলতাব হোসেনের ছেলে। তিনি গাজী পাম্পে বিক্রয় কর্মকর্তা হিসেবে পাবনায় কর্মরত ছিলেন। তিনি শহরের কৃষ্ণপুরের একটি ৫ তলা বাড়ির নীচ তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বাস করতেন।
আরও পড়তে পারেন: জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর ও ঢাকায় ১৩ বাংলাদেশি আটক, সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা!
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আখতারুজ্জামান শহরের কৃষ্ণপুর মহল্লার জামিল হোসেনের বাসায় তার চাচাতো ভাই রাহেদুজ্জামানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সারাদিন তার কোনও খোঁজ না পেয়ে অফিসের লোকজন পুলিশকে খবর দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তার রুমমেট রাশিদুজ্জামানকে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই বাসা থেকে আকতারুজ্জামানের নয় টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
গাজী পাম্পের টেরিটোরি সেলস ম্যানেজার সবুজ মিয়া বলেন, গত সোমবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার (আকতারুজ্জামান) সঙ্গে আমার শেষ কথা হয়। পরে দুপুর পর্যন্ত তার খোঁজ না পেয়ে তার বাসায় গেলে তার রুমমেট রাহেদ আমাকে জানায় সে গ্রামের বাড়িতে জরুরি কাজে গেছে। এসময় রুমমেট পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আমাদের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে অবহিত করলে রাহেদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে হত্যার কথা স্বীকার করে।
আরও পড়তে পারেন: মন্ত্রী-এমপি ও সাংবাদিকদের হত্যার পরিকল্পনা ছিল
/এমও/








