
গুলশান, বনানী নয়, সারাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদু। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের জঙ্গিবাদ দমনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তবে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারার নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেই হবে না। সারাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’
রবিবার বেলা দেড়টার দিকে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ৮টি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং চার্জ দ্যা অ্যাফেয়াসরদের সঙ্গে বিজনেস ডায়ালগ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘রানা প্লাজার দুর্ঘটনা ও হলি আর্টিজানের ঘটনা আমাদের ঐক্যবদ্ধ করেছে, সতর্ক করেছে। যদিও এ দুটি ঘটনাই দুঃখজনক। এই দুই ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গঠিত হয়েছে। জাতীয় ঐক্য মানে দলে দলে ঐক্য নয়, জনগণের ঐক্য, মানুষের ঐক্য।’
মন্ত্রী বলেন, ‘যারা কল্যাণপুরে নিহত জঙ্গিদের পক্ষ অবলম্বন করে তাদের সঙ্গে কোনও ঐক্য হবে না। নিহত জঙ্গিদের বাবা-মা নিজের জন্ম দেওয়া সন্তানের মুখ দেখতে চান না। এর নাম বাংলাদেশ। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে জঙ্গিদের গুলি সামনের দিকে লাগলো নাকি পেছনে লাগলো সেটি বড় কথা নয়। বাংলাদেশের ৯ এলাকা থেকে ৯ জন জঙ্গি একত্রিত হয়েছে কল্যাণপুরে এবং তারা জঙ্গির বেশে হাতে অস্ত্র এবং চাকু নিয়ে হাস্যজ্জল ছবি তুলেছে যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এরপরেও তারা জঙ্গি কিনা তা নিয়ে কোনও প্রশ্ন উঠতে পারে না। এ প্রশ্ন অবান্তর।’
তিনি আরও বলেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদ চিরতরে নির্মূল হবে। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, ‘বিদেশি নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা যেখানেই যেতে চান সেখানেই পুলিশের নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশকে পাকিস্তান-আফগানিস্তান বানাতে দেবো না: আইজিপি
/এসআই/বিটি/এসটি/







