জঙ্গিদের ফাঁসিতে ঝুলানোর ইচ্ছা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। মৌলভীবাজারে অপারেশন ম্যাক্সিমাস শেষ হওয়ার পর এ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য ছিল তাদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলানো। জঙ্গিদের জীবিত ধরার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। এজন্য আমরা তাদের বারবার আত্মসমর্পণ করতে অুনরোধ করেছিলাম। তারা সারেন্ডার না করায় উল্টো আমাদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড চার্জ করে করেছে। সোয়াট সদস্যরা তাদের কাছাকাছি যেতে চেষ্টা করতেই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। গতকাল সোয়াট সদস্যদের হামলার জন্য দুটি শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ করেছে। আপনারা সবাই সেই বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ সকালে (শনিবার) নিশ্চিত হলাম তারা নিহত হয়েছে। বাড়িতে ঢুকে আমরা তিনটি ডেডবডি দেখেছি। আমাদের কাছেও ওই বাড়িতে তিন জঙ্গির অবস্থানের তথ্য ছিল।
/এনএল/ইউআই/এসটি/
আরও পড়ুন-
কোটবাড়ীর আস্তানায় ২ জঙ্গি ছিল: ডিআইজি
বড়হাটে অভিযান স্থগিতের পর জঙ্গি আস্তানায় আবারও বিস্ফোরণ
নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানার লাশগুলোতে পচন ধরেছিল: ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক
বড়হাটের জঙ্গি আস্তানার জানালা বুলেটপ্রুফ!
পরিস্থিতির জটিলতা বিবেচনায় অভিযানের নাম ‘ম্যাক্সিমাস’: মনিরুল
নাসিরপুরে নিহত পুরুষ জঙ্গি নাইক্ষ্যংছড়ির সোহেল!








