জোড়া শিশু তৌফা ও তহুরার অস্ত্রোপচার চলছে। সকাল ৮টার পর থেকে অস্ত্রোপচার শুরু হয়। মঙ্গলবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক কাজল বাংলা ট্রিবিউনকে একথা জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা শিশু দুটিকে পৃথকীকরণের কাজ করবো। পরে আলাদা দুটি অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) গিয়ে আবার অপারেশন করা হবে। এ কাজে ১৬-১৭ জনের একটি টিম থাকবে।’
অপারেশন কত সময় লাগতে পারে এ প্রশ্নের জবাবে ডা. আশরাফুল বলেন, ‘দুটি অপারেশনে সব মিলিয়ে ৬-৭ ঘণ্টা লাগবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম অপারেশন করবেন সার্জারি বিভাগে। দ্বিতীয়টি করবেন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের চিকিৎসকরা। পুরো অপারেশন দুটি জটিল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। যাতে শিশু দুটিকে সুস্থ করে তাদের বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারি। যেমনটা আমরা তাদের গতকালও বলেছি। তাদের আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলাম, একই সঙ্গে বলেছিলাম আমরা প্রস্তুত আছি। দোয়া করবেন যাতে সব আশঙ্কা কাটিয়ে আমরা যেন সফল হতে পারি।’
জোড়া লাগা শিশু তৌফা ও তহুরাকে গত ২১ এপ্রিল দ্বিতীয়বারের মতো ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে গত বছর ৮ অক্টোবর তাদের এখানে প্রথমবার ভর্তি করা হয়। তখন তাদের একটি সফল অপারেশনও করা হয়েছিল। গত ২৯ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ঝিনিয়া গ্রামের রাজু মিয়ার স্ত্রী সাহিদা বেগম নিজ বাড়িতে জোড়া কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। কোমরের কাছে জোড়া লাগানো শিশু দুটির সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গই আলাদা। শুধু প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা একটি। প্রথমবার ঢামেকে ভর্তির পর অপারেশনের মাধ্যমে তাদের পায়ুপথ আলাদা করা হয়। এরপর তাদের ফের ভর্তির তারিখ নির্দিষ্ট করে ছুটি দেওয়া হয়।
/জেএ/এসটি/







