আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। এবার এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন শিক্ষার্থী। যা গতবারের চেয়ে ৫৬ হাজার ৪৫ জন বেশি।
বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, জেএসসি পরীক্ষায় ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৮ জন ছাত্র ও ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২ ছাত্রী অংশ নেবে। ছাত্রের তুলনায় ১ লাখ ৭৯ হাজার ২৬৪ জন ছাত্রী বেশি।
গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৪ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন। এ বছর অংশ নিচ্ছে ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন। এবার সারাদেশে মোট ২ হাজার ৮৩৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বাইরের ৯টি কেন্দ্রে এবার ৬৫৯ জন জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। এবারও বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া অন্য বিষয়ের পরীক্ষা সৃজনশীল প্রশ্নে নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা এবারও অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবে। এছাড়া তারা শ্রুতিলেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। পরীক্ষা শেষ হবে ১৭ নভেম্বর। আর ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল দেওয়া হবে। নকলমুক্ত পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।








