পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্পকার ও প্রকৃত চক্রান্তকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি আদালতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক এবং বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগের আইনজীবী মো. আবদুন নূর দুলাল। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি 'ইউনূসের বিচার দাবি, বিশ্বব্যাংক ও টিআইবি’র ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি ওই প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্পকার ও প্রকৃত চক্রান্তকারীদের খুঁজতে স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত কমিশন গঠন করতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক এবং বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টে দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল জারির নির্দেশ দেন।
আদালত এই রুল জারির মাধ্যমে দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, যোগাযোগ সচিব, আইজিপি এবং দুদকের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালতের নির্দেশের পর এই তদন্ত কমিশন গঠনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা ৩০ দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রতিবেদন আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।
কিন্তু কয়েকদফা সময় চেয়েও কমিশন গঠন কাজ শেষ হয়নি। তাই আজ আদালত এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে দ্রুত কমিশন গঠন করে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন:
বিএনপি দিয়েছিল ১৬০০, আমরা দিয়েছি ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী








