বানরের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চাইলেন শাজাহান খান

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:০৩, জানুয়ারি ২০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:২০, জানুয়ারি ২০, ২০২০

 

মাদারীপুরের চরমুগরিয়া বন্দরে খাবারের অভাবে অসহায় হয়ে পড়েছে দেড় হাজারেরও বেশি বানর (ফাইল ছবি)বানরের জন্য বিশেষ অর্থ বরাদ্দ ও প্রকল্প চাইলেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য শাজাহান খান। সোমবার (২০ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের আলোচনায় শাজাহান খান এই দাবি জানান। শাজাহান খান তার নির্বাচনি এলাকা মাদারীপুরে বানরের জন্য খাদ্য সরবরাহ প্রসঙ্গে নোটিশ দেন।

শাজাহান খান বলেন, মাদারীপুর পৌরসভার চরমুগুরিয়া বন্দর পাট ব্যবসার জন্য প্রসিদ্ধ। এখান থেকে হাজার হাজার মণ পাট ভারতে রফতানি হতো। জনশ্রুতি আছে, ভারতের তুলারাম বসুরাজ শখ করে দুটি বানর এখানে এনেছিলেন। সেই সংখ্যা বাড়তে বাড়তে এখন প্রায় দুই হাজার। স্বাধীনতার পর তুলারাম গোডাউন আদমজী পাটকলের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেখানকার এক কর্মকর্তা বানরগুলোকে খাবার দিতেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি ওই গোডাউন বিক্রি করে দেয়। এরপর বানরদের খাবার দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার এসব বানরের জন্য খাবার সরবরাহ করেছিল। বর্তমানে সরবরাহ না থাকায় বানররা রাস্তায় মানুষের খাবার ছিনিয়ে নেয়, দোকান থেকে খাবার ছিনিয়ে নেয়, বাড়ি বাড়ি গিয়ে অত্যাচার করে খাবার ছিনিয়ে নেয়। এখানকার জনগণ বানরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। বানরগুলোকে রক্ষায় তাদের খাদ্যের জন্য অর্থ বরাদ্দ ও প্রকল্প নেওয়া জরুরি।

স্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা বলে কিছু নেই

জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের আলোচনায় বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারাহানা বলেন, টিআইবি, সুজন, বিদেশি গণমাধ্যম, বিদেশি পর্যবেক্ষক, বাম মোর্চা, ১৪ দলের শরিক, এমনকি নির্বাচন কমিশনারদের বক্তব্যের পর সম্প্রতি ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদকের কিছু বক্তব্য প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশে স্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা বলতে কিছু নেই। সরকার যা চাইবে নির্বাচনে ঠিক তা-ই হবে। নির্বাচন ব্যবস্থা পুরোপুরি প্রহসনে পরিণত হওয়ার কারণে ভোটাররা এখন ভোটকেন্দ্র বিমুখ। সরকারি দলের জোটসঙ্গী রাশেদ খান মেননের ভাষায়, ‘আজান দিয়েও এখন ভোটকেন্দ্রে ভোটার আনা যায় না’। এর কারণ স্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, ‘তিনি নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন কিন্তু জনগণ ভোট দিতে পারেননি।’

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন ‘আমি আশ্বস্ত করছি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।’ নির্বাচন সুষ্ঠু করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এ বিষয়ে একজন মন্ত্রী এবং সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক কী করে আশ্বস্ত করেন, তা আমার মাথায় আসে না। রুমিন বলেন, ভোট সুষ্ঠু করার দায়িত্ব যখন তিনি (ওবায়দুল কাদের) নিচ্ছেন, তার মানে কি এই নয়, এতদিন সরকারি দলের ক্যাডার ও প্রশাসনই সুষ্ঠু নির্বাচনের একমাত্র অন্তরায় ছিল? নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা সরকারের ঐচ্ছিক কোনও বিষয় নয়। এটা তাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।

/ইএইচএস/এমআর/এমওএফ/

লাইভ

টপ
X