প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য একজন বিচারক: আইনমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:২০, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:২৭, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০

image-61943-1529685506-1537517842588বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় বিচারপতির সংখ্যা কম বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য একজন বিচারক রয়েছেন।’ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্ন-উত্তরে জাতীয় পার্টির (জাপা) মুজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জনসংখ্যার তুলনায় বিচারকের সংখ্যা খুবই কম।  যেখানে ভারতে ৫০ হাজার জনে একজন, ইংল্যান্ডে ২০ হাজার জনে একজন, আমেরিকা, ফ্রান্স ও ইতালিতে ১০ হাজার জনে একজন বিচারক রয়েছেন, সেখানে বাংলাদেশে প্রতি একলাখ মানুষের জন্য মাত্র ১ জন বিচারক রয়েছেন।’

আইনমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ৭ জন বিচারপতির জন্য ২২ হাজার ৫৯৬টি, হাইকোর্ট বিভাগের ৯৭ জন বিচারপতির জন্য ৪ লাখ ৯০ হাজার ৮০০টি এবং নিম্ন আদালতে এক হাজার ৯৬৭ জন বিচারকের জন্য ৩১ লাখ ২৭ হাজার ২৪৩টি মামলা রয়েছে।’

ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, গত ১০ বছরে (২০১০-২০১৯) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ৩০ হাজার ৩০১ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে  নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য ৬৭ হাজার ২০৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)।

জাতীয় পার্টির মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ হোসেন জানান, জনস্বার্থে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পদ্ধতি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ারভুক্ত বিশেষ ব্যবস্থা। তাই  ব্যবস্থা বাতিল করার কোনও পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগককে প্রশাসনিক কার্যক্রম উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশেষায়িত পদে ও যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন জনবল সংকট রয়েছে সে সব  প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় উপযুক্ত সামরিক/অসামরিক কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং জনসাধারণের মধ্য থেকে বিশেষ যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে দাফতরিক কার্যক্রম চলমান রাখা হয়। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ না দিলে স্বাভাবিক দাফতরিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, দেশে বর্তমানে ১৫৩ জন নারী কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত আছেন।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম জানান, সামুদ্রিক মাছের নিরাপদ বিচরণ ও প্রজননের জন্য সরকার বঙ্গোপসাগরের ৬৯৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে মেরিন রিজার্ভ ঘোষণা করা হয়েছে। ওই এলাকা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নৌবাহিনীকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

ফেনী-২ আসনের নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশ মৎস্য চাষ উপযোগী সরকারি জলাশয়ের সংখ্যা ৪৮ হাজার ৮৩১টি। এসব জলাশয়ের মোট আয়তন তিন লাখ ৮৪ লাখ ১২৪ দশমিক ৫৬ হেক্টর বলে জানান তিনি।

/ইএইচএস/এমএনএইচ/

লাইভ

টপ