অবৈধ জাল ব্যবহারকারীদের আইনের আওতায় আসতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:৫৯, অক্টোবর ৩১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৫৯, অক্টোবর ৩১, ২০২০

কাপ্তাইয়ে এক সভায় শ ম রেজাউল করিমপার্বত্য অঞ্চলে মৎস্য উৎপাদনে আমূল পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘যারা অবৈধ জাল ব্যবহার করবে তাদের আইনের আওতায় আসতে হবে। মোবাইল কোর্টে তাদের সর্বনিম্ন সাজা হবে এক বছরের কারাদণ্ড। এমনকি জরিমানাও হতে পারে। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান খুবই কঠোর।’

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাঙামাটিতে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এর কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রে কাপ্তাই হ্রদে বিএফডিসি’র কার্যক্রম অবহিতকরণ সভায় তিনি এ কথা জানান। পরে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিএফডিসি’র চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদের সভাপতিত্বে সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বিএফডিসি’র পরিচালক রশিদ আহমদ, পার্বত্য জেলা রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশীদ, বিএফডিসি’র কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক তৌহিদুল ইসলাম, রাঙামাটি সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা উপমা, রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান মহসীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘মিঠা পানির মাছ ও ইলিশ উৎপাদনে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। দেশের বদ্ধ জলাশয় থেকে শুরু করে ছোট খাল, হাওর-বাওর, লেক, বিল সর্বত্রই মাছের চাষ হবে।’

তিনি বলেন, ‘মৎস্য ব্যবস্থাপনাকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায় সেটা সরেজমিনে দেখার জন্য আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ বন্ধকালে অতীতে কখনও মৎস্যজীবীদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হতো না। এ বছর লেকে মৎস্য আহরণ বন্ধকালে মৎস্যজীবীদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আগামীতেও এটা অব্যাহত থাকবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদে অতীতের তুলনায় মৎস্য উৎপাদন বেড়েছে। ১২ হাজার ৬শ’ মেট্রিক টনের ঊর্ধ্বে এবার মাছ উৎপাদন হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন ১৫ হাজার মেট্রিক টনের ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এতে এ অঞ্চলের মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূর্ণ হবে।’

পরে কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এরপর রাঙামাটি জেলায় মৎস্য অধিদফতর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের  কার্যক্রম পরিদর্শন এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের রাঙামাটি নদী উপকেন্দ্রের গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন তিনি।

 

/এসআই/আইএ/

লাইভ

টপ