ওষুধ মানুষের জীবন বাঁচায়, সেই ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে নীতিমালা মেনে ব্যবসা করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ‘মডেল ফার্মেসি প্রকল্প’ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঔষধনীতি প্রণয়ন ও মডেল ফার্মেসি চালুর মধ্য দিয়ে নকল ও ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান আরও জোরালো হবে। এর ফলে ভেজাল ওষুধের সঙ্গে জড়িতরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, প্রকৃত ব্যবসায়ীরা লাভবান হবে। তাই এ ধরণের দোকান স্থাপনে ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।’
প্রসঙ্গত, ধানমণ্ডির লাজ ফার্মা ও গ্রীনরোডের বায়োমেড ফার্মেসি নতুন আঙ্গিকে চালু করার মধ্য দিয়ে দেশে প্রথমবারের মতো মডেল ফার্মেসির কাজ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের ‘মডেল ফার্মেসি ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প’ এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ওষুধের দোকানগুলোকে ফার্মেসি ও মেডিসিন শপ হিসেবে দুইভাগে চিহ্নিত করে সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। মডেল ফার্মেসিকে কমপক্ষে ৩০০ বর্গফুট এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হতে হবে। সার্বক্ষণিক রেজিস্ট্রার্ড গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগসহ সুনির্দিষ্ট কিছু নীতিমালা মেনে মডেল ফার্মেসি কাজ করবে।
শিগগিরই প্রতি জেলায় কমপক্ষে একটি করে মডেল ফার্মেসি চালু করা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য ঔষধ শিল্প ও ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। মান যথাযথ রাখার পাশাপাশি সঠিক ওষুধের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে মডেল ফার্মেসি ভূমিকা রাখবে।’
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ঔষধ নীতি অনুযায়ী প্রত্যেক মডেল ফার্মেসিতে ৩৯টি প্রয়োজনীয় ওষুধ ছাড়া সব ধরনের ওষুধ বিনা প্রেসক্রিপশনে বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হবে। ফলে অযথা অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমবে, রোগীদের জন্য নিরাপদ ওষুধ নিশ্চিত সম্ভব হবে।’
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জে. মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা ঔষধনীতি প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ শফিউজ্জামানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
- শ্রমিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে জাহাঙ্গীরনগরে বিক্ষোভ
- নিউমার্কেটে দায়িত্বরত অবস্থায় ট্রাফিক কনস্টেবলের মৃত্যু
/জেএ/এমও/








