পারিবারিক কলহের জের ধরে সন্তানসহ বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় মো. আবুল হোসেন (৩৫) নামে ওই ব্যক্তি বেঁচে গেলেও শিশু সন্তান জোনাকী (৩) মারা গেছে। তবে আবুল হোসেন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। শুক্রবার (৮ মার্চ) সন্ধায় এ ঘটনা ঘটে। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাচ্চু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
আবুল হোসেন কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলার টালীভাংঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।
আবুল হোসেনের ভাই রমজান জানান, চার-পাঁচ বছর আগে প্রেম করে বয়ে করে আবুল হোসেন ও পাপিয়া আক্তার। আবুল হোসেনের পরিবার আর্থিকভাবে একটু দুর্বল এবং মেয়ের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় এই বিয়ে নেমে নেয়নি তারা। এরপর গত ৭-৮ দিন আগে আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী পাপিয়া আক্তারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর রাগ করে বাবার বাড়ি চলে যায় স্ত্রী পাপিয়া। পরে আবুল হোসেনের বাবা স্বপন মিয়া,মামা,বোন,ভাই গিয়েছিল পাপিয়ার বাড়িতে তাকে আনার জন্য। তখন তার বাবা সুরুজ মিয়া জানায় পাপিয়া আর যাবেনা। আর যদি যায়,তাহলে এই বাসায় কখনো আসতে পারবেনা। শিশুটি মায়ের জন্য কান্না করে তাই শুক্রবার সকালে তার মার কাছে দিয়ে আসছিল এসেছিল ছেলের পরিবার। কিন্তু তারা পরে বিকালে আবার ফিরিয়ে দেয়।
পরে অভিমানে আবুল হোসেন একমাত্র কন্যা সন্তানকে নিয়ে কিটনাশক পান করে। এতে বাবা সন্তান দুজনই অচেতন অবস্থায় পরে থাকে। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত পৌনে ১০ টায় ভর্তি করা হয়।সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাড়ে ১০ টায় শিশুটি মারা যায়।
এসআই মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ময়না তদন্তের জন্য নিহতের লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।








