মাদকবিরোধী অভিযানে সন্দেহভাজন হিসেবে আটকের পর প্রিজন ভ্যানের ভেতর থেকে ফেসবুক লাইভে আসা সেই দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন মেহেদি হাসান আলামিন ও শামিম চৌধুরী। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর পরিবার নিয়ে ঘৃণা ছড়ানো, হুমকি ও উস্কানি প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে। রবিবার (১০ জুন) বিকালে রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার ক্রাইম বিভাগ।
সাইবার ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গ্রেফতার দুই ব্যক্তির কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং ফেসবুকে লাইভ করার কাজে ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিগুলো পুলিশের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৯ জুন রামপুরা থানার তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট এবং খিলগাঁও থানার মহাজের কলোনি কেন্দ্রিক মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদকের আখড়া এবং আশপাশের এলাকা থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে নিরপরাধ ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই প্রিজন ভ্যানে থাকা অবস্থাতেই ফেসবুক লাইভে আসে মেহেদি ও শামীম নামের দুই যুবক।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বাংলাদেশ পুলিশ, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর পরিবার নিয়ে ঘৃণা ছড়ানো, হুমকি ও উস্কানি প্রদান করে এই দুজন। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে ডিএমপির রামপুরা থানায় তথ্য ও যোগাযোগ আইন ও টেলিযোগাযোগ আইনে মামলা করা হয়েছে।








