সৌদি আরবে মারা যাওয়া দুই বাংলাদেশির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন ড. হুমায়ূন কবির ও ওমর ফারুক।
ড. হুমায়ূন কবির সৌদি আরবের রিয়াদে কিং সালমান হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি দুরারোগ্য ভাইরাস করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের মাধ্যমে সেদেশের আদালতে হাসপাতালের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করা হয়। সেই মামলায় আদালত ১ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে মন্ত্রণালয়ে হুমায়ূন কবিরের স্ত্রী শাহনাজ বেগমের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, দূতাবাসের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে তার পরিবারকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ২০১৪ সালেই ৩ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান এবং লাশ পরিবহন ও দাফন বাবদ ৩৫ হাজার টাকাও দেওয়া হয়। এ সময় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ জুলহাস, বিএমইটির মহাপরিচালক মো. সেলিম রেজা, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মরণ কুমার চক্রবর্তীসহ বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত কুমিল্লার ওমর ফারুকের পরিবারকে দেওয়া হয়েছে ৬৬ লাখ টাকা। বুধবার দুপুরে ওমর ফারুকের স্ত্রী কোহিনুর বেগম ইমুর হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ জুলহাস।
ওমর ফারুক ২০১৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন বলে জানিয়েছেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহকারী পরিচালক জাহিদ আনোয়ার। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওমর ফারুক ২০১৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। আমরা দূতাবাসের সাহায্যে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করি। আদালতের রায়ে ওমর ফারুকের পরিবারকে ৬৬ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়। এই টাকা দূতাবাস সংগ্রহ করে আমাদের কাছে পাঠিয়েছে। আমরা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।’








