রাজধানীর গোড়ান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারের দেওয়া ২০১৮ সালের বিনামূল্যের পাঠ্যবই অতিরিক্ত নিয়ে তা বিক্রি করার প্রমাণ পাওয়ার পর তার বেতন-ভাতা বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মস্ত্রণালয়। কেন তার বেতন-ভাতা বন্ধ করা হবে না, তা জানাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগকে ব্যাখ্যাসহ মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোড়ানের শেখ শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন মিলনের বিরুদ্ধে বিনামূল্যের সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ করেন মন্ত্রণালয়ে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ করেন তিনি। পাঠ্যবই বিক্রি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় গত ২৪ এপ্রিল পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের পরিচালককে অভিযোগ তদন্ত করার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতর দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। গত ৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত কমিটি মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়। জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পায় মন্ত্রণালয়। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার ২০ দিন পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগকে সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আনোয়রুল হক সাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, গোড়ান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘অতিরিক্ত বই নিয়ে ১৩টি স্বীকৃতিবিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্রির’ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় কেন তার বেতন-ভাতা বন্ধ করা হবে না, তার ব্যাখ্যাসহ মতামত পাঠাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালককে মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মেরও জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অারও পড়ুন: প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিক্রির প্রমাণ মিলেছে
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিনামূল্যের বই বিক্রির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ








