দুর্নীতি প্রতিরোধে আমাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় ঘাটতি আছে: দুদক চেয়ারম্যান

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:৫৮আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:০১





দুর্নীতি প্রতিরোধে আমাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় ঘাটতি আছে: দুদক চেয়ারম্যান দুর্নীতি প্রতিরোধ ও অপরাধীদের চিহ্নিত করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই। এজন্য প্রয়োজন নিজস্ব ফরেনসিক ল্যাব ও মোবাইল ট্র্যাকিং সিস্টেম। আসামি গ্রেফতার ও মামলা তদন্তে এসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অথচ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রযুক্তিগত এসব সুবিধার ঘাটতি রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন এজেন্সি’র (কেওআইসিএ) দুই সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা মোকাবিলার জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের আর্থিক সহযোগিতার চেয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানসংবলিত কর্মকৌশলের বেশি প্রয়োজন।
তার মতে, দুদকের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে নিজস্ব সক্ষমতার ঘাটতি, কাঙ্ক্ষিত মাত্রার জনআস্থার অভাব, প্রযুক্তিগত দুর্বলতা, তথ্যপ্রাপ্তির দীঘসূত্রতা ও অনীহা।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, অপরাধীদের চিহ্নিত করা, থামিয়ে দেওয়া, প্রতিরোধ ও আইনের মুখোমুখি আনতে যে মানের প্রযুক্তির প্রয়োজন, তা দুদকের এখনও নেই।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকারি সেবাপ্রদানে হয়রানি, দুর্নীতি, অনিয়ম ও দীর্ঘসূত্রতা দূর করতে বিজনেস প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য বিভিন্ন সুপারিশ প্রণয়ন করে তা সরকারে কাছে পাঠানো হয়েছে। বিজনেস প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সুশাসনের পথকে আরও সুগম করার লক্ষ্য নিয়ে এ জাতীয় সুপারিশ করা হচ্ছে।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের মামলায় একসময় সাজার হার ২২ শতাংশে নেমে এসেছিল, বর্তমানে যা প্রায় ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। গত তিন বছর ধরে সাজার হারের একটি ইতিবাচক সামঞ্জস্যপূর্ণ ধারাবাহিকতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মিউচুয়্যাল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স রিকোয়েস্টের মাধ্যমে বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে যেসব তথ্য চাওয়া হয় তা প্রায়ই সময়মতো পাওয়া যায় না। তথ্য না পাওয়ার কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অর্থপাচার মামলার তদন্ত শেষ করা যায় না। অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা যায় না এবং পাচার করা সম্পদও ফিরিয়ে আনা যায় না।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থপাচার, সন্ত্রাবাদে অর্থায়ন, ঘুষ লেনদেন হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার জন্য প্রযুক্তিগত সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

/ডিএস/এইচআই/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের