অবৈধ গর্ভপাতের চেষ্টাসহ মারধরের অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমের বিরুদ্ধে তার পুত্রবধূর দায়ের করা মামলাটি তদন্তে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এই মামলার অপর আসামি হলেন আপন রিয়েল এস্টেটের উপদেষ্টা মোখলেছুর রহমান।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জাল হোসেন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
মামলার বাদী ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, ১১ মার্চ এই আদালতে দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদের স্ত্রী ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা মামলাটি দায়ের করেন। ওই দিন বিচারক জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৭ জুলাই মামলার অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পায়নি বলে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে গত ২৫ আগস্ট নারাজি দরখাস্ত দাখিল করেন বাদী।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০১৫ সালে দিলদার হোসেনের ছেলে সাফাত আহমেদের সঙ্গে বিয়ে হয় ফারিয়া মাহবুব পিয়াসার। বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরের গুলশান ২-এর বাসায় থাকতেন তিনি। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তার শ্বশুর আসামি দিলদার শারীরিক ও মানসিকভাবে তাকে নির্যাতন শুরু করেন এবং তাকে তালাক দেওয়ার জন্য তার স্বামীকে (সাফাত) চাপ দিতে থাকেন। পাশাপাশি তার শ্বশুরসহ অপর আসামি তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করতেও বিভিন্নভাবে চাপ দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ৫ মার্চ স্বামীর জন্য কিছু কেনাকাটা করতে বাসা থেকে বের হন পিয়াসা। কেনাকাটা শেষে বাসায় ঢুকলে আসামিরা তাকে গালিগালাজসহ মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেন। সঙ্গে থাকা দুই লাখ টাকা, পাঁচ ভরি ওজনের সোনার নেকলেস, দুটি চুড়িসহ আনুমানিক ৮ লাখ টাকার জিনিস জোর করে নিয়ে যান তারা।
উল্লেখ্য, বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনার মামলায় বাদীর স্বামী সাফাত আহমেদ প্রধান আসামি। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।








