করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্তের বিষয় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর প্রতিবেদনে আবারও গরমিল পাওয়া গেছে। সর্বশেষ বুধবার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস আক্রান্ত মোট সংখ্যার সঙ্গে জেলা বা বিভাগভিত্তিক তথ্যে মিল পাওয়া যায়নি। সাধারণত যেকোনও প্রতিবেদনে মোট যে সংখ্যা দেখানো হয়, বিভাগভিত্তিক বণ্টনেও সেই সংখ্যার যোগফল সমান থাকে। তবে আইইডিসিআর’র ক্ষেত্রে এই হিসাব প্রায়ই মিলছে না।
সর্বশেষ প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কোভিড-১৯ আক্রান্তের মোট সংখ্যার তুলনায় বিভাগভিত্তিক সংখ্যায় দুই হাজারের কম-বেশি দেখানো হয়েছে। অবশ্য বিভাগ ও জেলাভিত্তিক তথ্যের মধ্যে মিল রয়েছে।
ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, মোট করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৭১৯ জন। কিন্তু, বিভাগ বা জেলাভিত্তিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যোগ করলে দাঁড়ায় ৯ হাজার ৬৭৫ জন। এই হিসাবে মোট সংখ্যার তুলনায় জেলাভিত্তিক সংখ্যায় দুই হাজার ৪৪ জন কম আক্রান্ত দেখানো হয়েছে। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ্য, বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলায় বিগত কয়েক দিনের প্রতিবেদনে কোভিড ১৯ পজিটিভ রোগী দেখানো হলেও গত ৫ ও ৬ মে'র প্রতিবেদনে এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য দেখানো হয়েছে। ৪ মে'র প্রতিবেদনে জেলাটিতে ১০ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত বলে প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছিল।
কোন বিভাগে কত আক্রান্ত?
আইইডিসিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী মোট করোনা আক্রান্তের মধ্যে আট হাজার ৩৫ জন ঢাকা বিভাগে। অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ৪৫৫ জন, সিলেটে ১৬১ জন, রংপুরে ২২০ জন, খুলনায় ১৮৯ জন, ময়মনসিংহে ৩৬৬ জন, বরিশালে ১২১ জন ও রাজশাহীতে ১২৮ জন।
উল্লেখ্য, এর আগেও আইইডিসিআরের তথ্যে গরমিল নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
পড়ুন:
আইইডিসিআর’র তথ্যে অসঙ্গতি কেন?
করোনার সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার বুলেটিনে ৮দিন আগের তথ্য!








