বেশি চোরাচালান প্রবণ এলাকা কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ান (৪৭ বিজিবি) ও কম চোরাচালান প্রবণ এলাকা নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)। এসব এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখায় ব্যাটালিয়ান প্রধানদের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ ডিসেম্বর) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পিলখানা সদর দফতরে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম বিজিবি দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ দরবার শেষে বিজয়ী ব্যাটেলিয়ান প্রধানের হাতে ট্রফি তুলে দেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অপারেশনাল কার্যক্রম, চোরাচালান নিরোধ, মাদকদ্রব্য আটক অসামান্য কৃতিত্ব অর্জনকারীদের গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। চোরাচালান দমনের ক্ষেত্রে ব্যাটেলিয়ান পর্যায়ে অধিক চোরাচালান প্রবণ এলাকা কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) চ্যাম্পিয়ন ও রামু ব্যাটেলিয়ান (৩০ বিজিবি) রানারআপ হয়। কম চোরাচালান প্রবণ এলাকা হিসেবে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) চ্যাম্পিয়ন ও রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) রানারআপ হয়।
এছাড়া, বিজিবিতে গুরুত্বপূর্ণ এবং কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০২১ সালে ৬০ বিজিবি সদস্যকে বিভিন্ন পদক্ষেপ ভূষিত করা হয়। ১০ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পদক (বিজিবিএম), ২০ জনকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড পদক ( পিবিজিএম), ১০ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পদক সেবা (বিজিবিএমএস) এবং ২০ জনকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড পদক সেবা (পিবিজিএমএস) পদক তুলে দেয়া হয়।
বিশেষ অবদানের জন্য ৬১ জনকে মহাপরিচালকের অপারেশনাল প্রশংসা পত্র এবং ১০০ জনকে মহাপরিচালকের প্রশাসনিক প্রশংসাপত্র দেয়া হয় । এছাড়াও, ১২ জনকে সুবেদার মেজর হতে অনারারি সহকারী পরিচালক এবং একজনকে অনারারি সহকারী পরিচালক থেকে অনারারি উপ পরিচালক পদে পদোন্নতির র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেওয়া হয়।









